Saturday, April 19, 2014

কেন একজনের ঘাড়ে সব কাজ চাপিয়ে আমি আরাম করব? (Why should I take rest while other is working hard?)


এক ভদ্রলোক ব্যাংকে কাজ করেন. সকালে উঠে নাস্তা করে বউ ছেলেকে নিয়ে একবারে গাড়িতে উঠেন. ছেলেকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে গাড়ির গ্যাস ভরতে যান, ড্রাইভারের সাথে. এরপর অফিসে যান. অফিস থেকে বাড়িতে ফিরে তবে একটু বিশ্রামের সুযোগ হয়. টিভি দেখে খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পরেন. কত কষ্টের জীবন তাইনা. জীবন জীবিকার জন্য করতেই তো হয়, তাইনা.

A gentle man is working at a Bank. In the morning he gets up, take breakfast then go out with wife and the kid to kid’s school by the car. After dropping his wife and kid in the school he went to Gas filling station with the driver. After filling the gas he picks up his wife from school and goes to the bank. Afternoon he comes back with his wife. Then found some time to rest. After watching TV and reading news paper he takes his dinner and fall in sleep. What a life, isn't it. But what can he do, for living he has to work hard.

এবারের বাড়ির আরেকজনের জীবনের দিকে একটু তাকাই. বাড়ির গৃহিনী খুব সকালে উঠেন. বাড়ির কর্তা এবং পুত্র তখনও ঘুমিয়ে. তিনি রান্না করেন. তারপর নিজের, স্বামীর এবং ছেলের (৩ জনের) লাঞ্চ আর টিফিন বক্স গোছান. এরপর নিজে তৈরী হন. ছেলেকে উঠিয়ে তৈরী করেন. তারপর স্বামীর সাথে বের হন. ছেলের স্কুলে নামেন. ছেলেক ক্লাসে বসিয়ে আবার নিচে নেমে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করেন. স্বামী গাড়িতে গ্যাস ভরে ফিরে এলে গাড়িতে উঠে অফিসে যান. বাসায় ফিরে ৩ লাঞ্চ আর টিফিন বক্সের সব বাটি ধুয়ে রাখেন. ছেলেকে নিয়ে পড়াতে বসেন. রাতে ছেলে ঘুম পাড়িয়ে নিজে ঘুমাতে যান.

Let’s see other person’s life in the same house. The house manager woke up very early in the morning before the man and kid. Then she cooks and prepares lunch and Tiffin box  for herself, husband and the kid. Then she gets prepared for work and woke up her son. She make her son ready for school and feed him breakfast. Then she went to her kid’s school with her husband. In the school she go to her son’s class and sit him well and come down. When her husband came back with the car after filling the gas, she went to office with her husband. After office both come back from office. She went to kitchen and washes all 3 lunch boxes and Tiffin box. Then sit with her kid for his study. Then make him fall asleep and finally she got time to sleep.

এবার বলুন তো, কার শরীরে শক্তি বেশি? কে বেশি কাজ করছেন, বিশ্রাম না নিয়ে? কেন আমরা সমাজে শুধু একজনের কাজকেই বড় করে দেখি? আরেকজন এত বেশি কাজ করছেন সেটা কেন চোখে পড়েনা? কেন আমরা আমাদের বৌকে কাজে সাহায্য করিনা? তাহলে তো দুজনেই একসাথে কাজ করে একসাথে বিশ্রাম নিতে পারি. পুরুষের শক্তি বেশি হওয়া স্বত্তেও তাকে কেন বেশি আরাম করতে হবে?

Now tell me, physically who has more strength? Who is working hard without taking any rest? Why in our society we only notice one person’s work? Why we can’t see who is actually working more in the whole day? Why we don’t want to help our wife? If husband and wife work together then both can work together and can take rest together. While the man has more strength physically, why he need more comfort in life?

সকালে বউ যখন রান্না করে তখন বাবা ছেলেকে উঠিয়ে তৈরী করে দিতে পারেন. অথবা বউয়ের সাথে রান্নাঘরে এটা সেটা করে একটু সাহায্য করতে পারেন. তাতে দুজনে একসঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন, সংসার নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন, দুজনের মধ্যে সম্পর্ক আরো ভাল হবে, স্ত্রী স্বামীকে আরো ভালবাসবেন. বাসায় ফিরে স্বামী ছেলেকে নিয়ে প্ররে বসতে পারেন, ধোয়াধুয়ির কাজ একসাথে করা যায়. একসাথে কাজ করলে কাজ তারাতারি শেষ হবে. দুজনে একসাথে খানিকক্ষন সময় পাবেন বিশ্রামের.

In the morning while the wife working in the kitchen; husband can prepare the kid for school. Or he can also help his wife in the kitchen. Then both of them can have some time together, they can talk, this way their relation may became stronger, the wife will love and respect her husband more. After returning from office, husband can sit with his son for his study. He also can help his wife in dish washing. If they work together the work will be done in short time and both of them can have more time for leisure and can have time together.

কেন একজনের ঘাড়ে সব কাজ চাপিয়ে আমি আরাম করব? (Why should I take rest while other is working hard?)
Post a Comment