Wednesday, July 1, 2015

এখন প্রতিদিন রোজা রাখবে বলেছে (Now he wants to make fast every day)

[English version has given below]

আমার ছেলে যখন প্রথম রোজা রেখেছে, আমি নানা ভাবে ওকে উত্সাহ দিয়েছি। যেমন সারাদিন ইন্টারনেট এ গেম খেলেছে, মোবাইল আর টিভিতেও নানা গেম খেলেছে। খেলনা দিয়ে খেলতে খেলতে আর ভাল না লাগায় আমার কাজের জিনিস ধরতে দিয়েছি ইচ্ছা মতো। ইফতারিতে বানিয়েছি নানা খাবার, যতটা পারি।... শাফিন মহাখুশি।

এখন প্রতিদিন রোজা রাখবে বলেছে। কিছুতেই খেতে চায়না। নানা ভাবে বোঝালাম, এখন বয়স কম, রোজা রাখতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। শেষে বাধ্য হয়ে বললাম, এখন থেকে রোজা রাখলে আর খাতির হবে না। খাতির যা হবার প্রথম রোজায় হয়ে গিয়েছে। তোমাকে রোজা রেখে কাজ করতে হবে, পড়াশুনা করতে হবে. ইন্টারনেট পাবে না গেম খেলার জন্য। ও তাতেই রাজি, রোজা ও রাখবেই।

রোজা রাখার পর বলল পেট ব্যথা করছে। আমি বোঝালাম, অসুস্থ হলে রোজা না রাখলে ক্ষতি নেই। আগে সুস্থ হয়ে নাও, তারপর রোজা রেখ। এবার কাজ হলো।  আমিও হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।

When Shafeen kept his first Fast, I have encouraged him in many ways to make it happen. To get rid of hunger I let him play game on internet, including mobile and TV game. When he felt bore with his toys, I let him play with my things. I made different kind of food in Iftar, as much as I could... Shafeen was very happy by having this much facilities.

Now he wants to make fast every day. I tried to make him understand he is still very young (6.5 years old) you are not bound to make Fast. Then I had to say, I won't give you facilities like you have in your first of Fasting. No internet and you have to work and study. He agreed and wanted to keep his Fast.

Next day in the morning my son said, he is feeling pain in his stomach. I make him understand, you are not bound to make fast when you are ill. It may harm for your body. Now he agreed not to take the Fast. Oh Allah saved me.
Post a Comment