Tuesday, September 29, 2015

টবে বাগান (Garden in a pot)


[English version has given below]

ছোট বেলায় কেউ যখন জিগ্যেস করতো, আপনার হবি কি? একটু বিপদে পড়তাম, কারন আমি ভেবে পেতাম না কি আমার হবি। আমি যাই করি হয় বাবা-মা, না হয় স্কুল, না হয়ে বন্ধুরা ঠিক করে দিত, যেমন পড়া, খেলা, শয়তানি..। তাহলে আমার হবি কি? একজন সাহায্য করার জন্য বলল, এই যেমন ডাক টিকেট জমানো, বাগান করা, সেলাই করা ইত্যাদি ইত্যাদি। এবার আমি কিছু একটা বলার মতোন পেলাম।

আমার আম্মার সখ হলো বাগান করা। উনি টবে এতো গাছ লাগিয়েছেন যে বারান্দায় আর হাটা যায় না। নানা জাতের গাছ এলোমেলো ভাবে রাখা (এলোমেলো কথাটা আম্মা মানেন না)। একেবারে সুন্দরবন এর মতো গিঞ্জি গাছপালা। ভিতরে ঢুকতে গেলে কাটায় জামা ছিড়ে যেতে পারে। আমাকেও একটা গাছ কিনে দিয়েছিলেন। এক ধরনের ক্যাকটাস। আমি পানি দিতাম, মাটি খুড়ে দিতাম, সার দিতাম। সুতরাং হবি বলতে বাগান করা বলা যায় (হোক না একটা গাছ নিয়ে)। রচনাতেও তাই লিখতাম (গাছের সংখ্যা না বলে)।


In my childhood, when anyone asked me, what's your hobby? I really became confuse, what to answer? Because I whatever I did on those days, either suggestion came from my parents or school or friends, like study, game or naughtiness. Then what is my hobby? Someone helped me out from this situation; they told me I can say from collecting stamps, gardening, swing etc. Now I found something to mention. Let me explain...

My mom's hobby is gardening. She uses to put plants on flower pot. But the amounts of pots were huge, so that we couldn't walk on the garden easily (Though she never agreed). It's dense like our Sundarban. If you want to get inside your dress may tear with the needle of the plants.

My mom gave me a plant too, kind of cactus. I use to take care of it very gently. I gave water, dig its mud, and gave fertilizer to make it have good health. So, from now on I can say, my hobby is gardening (Well with one plant only). Even I use to write about it in my essays at school.

[January 04, 2008]

Sunday, September 27, 2015

সব কাজ গোছানো দরকার (Need to schedule all work)

[English version has given below]

আমি নিশ্চিত যে আমি কাজ বাড়িয়ে করি। এই কারনে যে কোনো কাজে আমি সময় বেশি নেই, অনেক গুছিয়ে যথাযথভাবে করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। এতে কাজ খুব ভালভাবে শেষ হয়, তবে অন্য দরকারী কাজের সময় নস্ট হয়। সবচেয়ে ক্ষতি হয় নিজের, আমি আমার নিজের জন্য আর সময় বের করতে পারিনা। 

আমাকে আসলে দেখতে হবে কি কি কাজ অবশ্যই শেষ করতে হবে সেটা আগে শেষ করা, আর যা প্রতিদিন না করলেও চলবে, সেগুলোর জন্য সাপ্তাহিক সময় বের করা। 

কিছু কাজ মাসে একবার আর কিছু বছরে একবারের জন্য ঠিক করা।

বিশ্রামের সময় অবশ্যই বিশ্রাম নেয়া। নিজের যত্নের জন্য, দৈনিক এবং সাপ্তাহিক, পারলে মাসিক সময় রাখতে হবে। 

তারপরও অতি দরকারী কাজ তো চলে আসেই, বা অন্যকে সময় দিতে গিয়ে সব রুটিন ওলটপালট হতেই পারে। সেটা মেনে আবার নিয়মিত কাজে লেগে যাওয়া। 

আর সবচেয়ে বড় জরুরী, নিজেকে দুঃশ্চিন্তা থেকে দুরে রাখা।

I am sure I work more than it's needed. That's why I took more time than others; I make it happen with best possible ways. It makes that work better, but it also looses other work time. Mostly I suffer, because of this attitude I can't make time for myself.

Actually I have to find, what are they must do work, which I have to do every day. Then schedule my other work on weekly, monthly and yearly basis.

I have to take proper rest no matter how busy I am. I need make plan to take care of my own body and mind daily, weekly, monthly and yearly.

But still there will always some urgent work and have to give time to others... which may mess up with my work routine. It's OK, I need to take these easy and again have to start according to my plan.

And mostly I have to keep away from tension.

Thursday, September 24, 2015

লেবুর সরবত (Lemon juice)



আমার খুব সহজে মাথায় ঠান্ডা লাগে, একদম জ্যাম হয়ে যায়। একারনে ভিটামিন সি এর উৎস খুজে বের করেছি। লেবু। রোজ এক গ্লাস লেবুর সরবত খাওয়ার চেষ্টা করি। অফিসে লেবু কিনে রেখেছি। এটা আমার জন্য খুবই উপকারি প্রমানীত হয়েছে। আমি দেখেছি। লেবুর সরবত না খেলে আমার ঠান্ডা লাগে। আবার ঠান্ডা লাগলে নিয়মিত সরবত খেলে সেরে যায়। বাসায় - অফিসে আমার চারপাশে অনেকেরই সর্দি কাশি হয়েছে। আমি এখনও সুস্থ আছি (আল্লাহ এর রহমতে)। দেখা যাক কতদিন থাকতে পারি। 

আমি শুধু লেবুর রস খেতে পারিনা, চিনি দিয়ে খাই, মধু থাকলে মধু দিয়েও খেয়েছি। প্রথমে চিনি পানির সাথে ভালো ভাবে মিশিয়ে নেই এরপর লেবু কেটে এতে রস দেই। যাতে খাবার আগে ভিটামিন সি নস্ট না হয়, এ কারনে চিনি গুলিয়ে তারপর লেবুর রস দেই। তারপর হালকা ভাবে নেড়ে খেয়ে নেই। শুধু যে ভালো থাকার জন্য খাই তা নয়, লেবুর সরবত খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। আরিল কে একবার বানিয়ে দিয়েছিলাম (ঠান্ডা লেগেছিল তাই), কিন্তু আমি চিনি বেশি দেই বলে হয়তো খেতে পারেনি। 

কিন্তু আমি দেখেছি, বেশি চিনি আর বেশি লেবুর রস দিলে খেতে বেশি মজা হয়। সাথে একটু বিট লবন দিয়ে হয় অসাধারন। কলকাতার রাস্তায় এভাবেই বানায়।

I get cold on head very easily; it makes my head very heavy. So, I found a very good source of Vitamin C. That is Lemon. So, I try to take a glass of lemon juice every day. I had brought lemon at office. It's a proved remedy for me. I have seen if I don't take lemon juice I get cold. Even if I get cold, I started taking lemon juice and its cure me. Now a day at home and office many people get cold, but I (Thanks to Allah). Let's see how long I can stay away from getting cold.

I can't take only lemon juice. That's why I put sugar, sometimes honey. First I give some sugar in the water and mix it well. Then cut the lemon and give its juice into that water. I give lemon juice later to preserve the Vitamin C. It’s not like that I need it that's why I take it; I like lemon juice very much so I take it with pleasure. Once I made for Arild (As he got cold) too, but as I give sugar, he might not feel comfort with it.

But I have seen if you give much sugar and lemon juice, its make tastier. If you can give a bit of black salt, it became awesome. In Kolkata, you will find lemon juice like this.


[December 31, 2007]

Wednesday, September 23, 2015

রাগারাগি করছি ছেলের সাথে (Showing anger with my son)

ছেলে যখন নিজের বুদ্ধিতে নতুন কিছু করে, মা হিসাবে খুশি হবার কথা... কিন্তু হতে পারছিনা।  বরং রাগারাগি করছি ছেলের সাথে। আগে ক্ষুধা লাগলে আমাকে সব কাজ ফেলে বা ঘুম বাদ দিয়ে ওর খাবার তৈরী করতে হতো। এখন আমাকে শুয়ে থাকতে দেখলে নিজেই বুদ্ধি করে খাবার বের করে ফেলে। আজ ফ্রিজ ঘেটে জুস বের করেছে।  এরপর সেই জুস খুলে খেতে গিয়ে কিছু মেঝেতে ফেলেছে, কিছু জামায়, কিছু গায়ে। ফ্রিজ বন্ধ করতে পারেনি ঠিক মতো। দরজা খোলা ছিল। অবস্থা দেখে বিশ্রাম নেয়া মাথায় উঠল।...

I should be happy to see my son working by himself or trying to do something of his own. But I couldn't. I became very angry and shouted with him. Let me give you an example. One day he saw me lying down on bed. So, he didn't ask me for food, he searched in the refrigeration and found a packet of juice. But while he trying to open it he fall some on the floor, some on his dress and body. Even he couldn't shut the refrigerator well. Now tell me, after watching this, how could I take any more rest?

Monday, September 21, 2015

নামের শুরুতে এস (শ, স) (Names which started with “S”)


[English version has given below]

আপনি যখন মোবাইলে নাম খোঁজেন বা টেলিফোন বুক এ নতুন নম্বর তুলেন, খেয়াল করেছেন কি, কোন অক্ষরের নাম সবচেয়ে বেশি আছে?

When you search anyone’s name on phone book or in a telephone book, did you noticed which letter’s name is coming most? 

আগে যখন মোবাইল ফোন ছিলনা তখন একটা ছোট টেলিফোন ডিরেক্টরি সবসময় কাছে রাখতাম। আর সে খানে এস অক্ষরের পৃষ্ঠায় সব সময়ই ঢাসাঢাসি করে জায়গা করতে হতো অনেকের নাম। 

When I didn’t have the cell phone, I use to keep a small telephone diary with me always. And on that book I have always has to face trouble to keep names in “S” page to hold lots of name in one page.

আমার বাবা-মার নাম কাকতালীয় ভাবে "এস" দিয়ে শুরু। তারা এই ধারা বজায় রেখে সব ছেলে মেয়ের নাম "এস" দিয়ে রেখেছেন। 

After married my parent found that their name started with same letter “S”. To keep this going they kept their kid’s name started with “S”.

যখন একটা নরওয়েজিয়ান কোম্পনিতে কাজ করেছি। বাংলাদেশ থেকে নরওয়েতে নামের লিস্ট পাঠানো হয়েছিল,  কারা কাজ করছেন তাদের বাংলাদেশ শাখায় এটা জানানোর জন্য। ওরা বেশ অবাক হয়ে জানতে চেয়েছিল, আমরা কি "এস" দিয়ে নাম আছে কিনা দেখে লোক নিয়েছি? বিষয়টা আমরা নিজেরাও আগে খেয়াল করিনি।

When I was in a Norwegian company we had to send all employees’ name who is working in Bangladesh branch. And they replied did we take only those persons whose name started with “S”. Actually even we didn’t notice this similarity…

পরবর্তিতে আমি আমার ছেলের নাম রেখেছি "এস" দিয়ে আর আমার ছোট বোনও তাই করছে, ওর দুই ছেলের নামের শুরুটা "এস" দিয়ে :)

Later I kept my son’s name started with the letter “S” and my younger sister also following the trends. She kept her two son’s name with “S”.





Sunday, September 20, 2015

কাজ আর বৃষ্টি (Work and rain)

[English version has given below]

বৃষ্টি আমি পছন্দ করি, তাই বৃষ্টি পড়লে বাইরে বের হওয়া যাবেনা বা কাজ আটকে থাকবে এমন কখনও ভাবিনি। এখন তাও ভাবতে হচ্ছে। কারন বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে যাচ্ছে, কোনো মতে ঘরের দরজা থেকে রিক্সায় উঠেও যদি কাজ চালানো যেত তাহলেও হতো, কিন্তু কখনো কখনো পানি ঘরের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে। তাও যদি কোনো মতে বের  হই তো রাস্তায় জ্যামে আটকে থাকতে হবে, আর কাজ শেষে কোনো কিছু পাওয়া যাবেনা ঘরের ফিরার জন্য। ঘন্টার পর ঘন্টা এক জায়গায় দাড়িয়ে চেষ্টা করে নিজে পানিতে নেমে যাবেন, সাতার কাটতে কাটতে এগুতে থাকবেন আরো ঘন্টা খানেক। কপাল ভাল থাকলে এরপর কেউ কয়েকগুন বেশি ভাড়ায় বড় রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে হয়তো রাজি হয়ে যাবে। এমন বৃষ্টির দিনে কোনো কাজ শেষ হবে না।  আর এদিকে সময়ের অভাবে আপনি ঘরে বসে থাকতেও পারবেন না। অফিস সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। এরপর পরের দিন আবার বের হবেন। 

I like rain, so I never complained about it, that it's raining I can't go out etc. But now things really get changed. Because of rain, all roads are getting drowned. If I could manage by taking rickshaw from the gate I could manage things somehow, but water comes inside our home too. If anyhow, you go out then will fall in trouble after finishing your work. You have to wait for hours to find anything to return home. Then you will start walking on the water (Mixed with all drain water) for hours, if you have some luck you will then find something with double cost which may take to the main road. More problems rise because of traffic jam you may not able to complete your work, you have to try till office hour finishes then again next day you have to start again.

Friday, September 18, 2015

মন্দিরের শহর (City of temple)


[English version has given below]

সাড়া বিশ্ব তো দেখিনি, তারপরও মনে হয়েছে, ঢাকাকে যদি মসজিদের শহর বলা হয় তো কাঠমান্ডুকে (নেপালের রাজধানী) বলা উচিত মন্দিরের শহর। এমন কোন জায়গা নেই যেখানে মন্দির নেই। রাস্তার পাশে কয়েক কদম গেলেই একটা মন্দির পাওয়া যায়। কোন কোনটা এতো ছোট যে তুলসি বেদীর মতোন ছোট জায়গা নিয়ে রাস্তার কোন কোনায় দাড়িয়ে আছে। কোথাও বা বড় কোন গাছ বা গুহার মাঝে মন্দির। কোথাও বুদ্ধদেব, কোথাও শাপ এমনই সব মন্দির।

তবে মন্দিরের ঘন্টার শব্দে ঘুম ভেংগে ছিল ভুটানের কাছে ভারতের এক শহরে (নাম মনে নেই)। পরে দেখছিলাম, সেটা ছিল রাস্তার পাশে বেশ বড় মন্দির।


I didn't see t he world, but I still believe, if we say Dhaka is the city of Mosque then we should call Kathmandu (The capital of Nepal) as the city of temple. You won't find a place without a temple over here. If you just take few steps in the town you will find a temple here. Some are too small that it looks like a Tulsi stand at the corner of the road. Some temples are inside a big tree, some are inside the cave. You will see these temples are for Buddhist statue, snake etc.

First I woke up by hearing the bell of a temple in India, near Bhutan's border. (I forget the name of the town) Later I found a big temple beside the main road. 

[December 14, 2007]

Thursday, September 17, 2015

যা পাবোনা, তা হয়তো পরে কখনো পাবো (Whatever I didn't get, may get later)

চিন্তায় চিন্তায় মাথা ধরিয়ে ফেলছি। তাই ঠিক করেছি, আগে নিজেকে ভাল রাখবো। তারপর যা হবার হবে। আল্লাহ ভরসা। 

আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাই, দেখা যাক কতদুর কি করতে পারি। যতদুর সাফল্য পাবো, তা নিয়ে থাকবো। যা পাবোনা, তা হয়তো পরে কখনো পাবো... দেখা  যাক আল্লাহ আমার  জীবনে আর কি কি রেখেছেন....

Because of tension, I am having headache. So, I made myself to decide first, I have to keep myself well. Then will accept what so ever happen. Let's depend on Allah.

I will try my best to make things right. Then will take everything easy, will try to be happy whatever I achieve, rest may come later in my life. Let's see what else Allah makes me see in my life.

Sunday, September 13, 2015

মাথায় বেঁধে ভারী ঝোলা (Heavy basket tide up with the head)


[English version has given below]

আমাদের দেশে ভারী বোঝা নেয়ার সময় মানুষকে পিঠ ব্যবহার করতে দেখি। দার্জিলিংয়ে (পরে নেপালের পাহাড়ি অঞ্চলের ছবিতেও দেখেছি) দেখলাম, হালকা পাতলা মানুষ, মাথার সাথে ঝুলিয়ে কাপড় দিয়ে ঝোলা বানিয়ে ভারি ভারি বোঝা অবলিলায় পাহাড় বেয়ে উঠে যাচ্ছে। হয়ত পাহাড়ি এলাকায় এমনই নিয়ম। কিন্তু যখন দেখলাম ২টা গ্যাস সিলিন্ডার অবলিলায় মাথার সাথে ঝুলিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখন ওদের ঘার কত শক্ত সেটা নিয়ে না ভেবে পারলাম না।

এমনকি জলপাইগুড়ির চা বাগানের মেয়েদেরও দেখলাম, মাথার সাথে কাপড় ঝুলিয়ে ঝোলা বানিয়ে তাতে চা পাথা রাখছে। আমাদের দেশে দেখেছি পিঠের সাথে ঝুড়ি বেধে চা পাতা রাখছে।


In our country we saw people take heavy things on back. But in Darjeeling (Later in the pictures of Nepal) I saw even thin people are taking heavy things by using their head. They made a bag with a long cloth and tie that with the head. Then put all heavy things in it. Then they easily walk up the mountain with that heavy basket. I thought this must be the traditional way of this hilly area. I really shocked, when I saw two big gas cylinders were carrying by a person in this way, how hard their shoulder is!!

I have seen same method in Jalpaiguri tea garden, though in Bangladesh people uses their back to hold the basket of tea leaf.

[December 13, 2007]

Friday, September 11, 2015

দেশের ফ্লাই ওভারগুলি খুব দ্রুত শেষ করা উচিত

যানজটে ঢাকা শহর এক রকম স্থবির হয়ে আছে। নতুন নতুন নানা পরিকল্পনা হচ্ছে শহরের এই যানজট নিরসনের জন্য। আমার মতে নতুন পরিকল্পনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত শেষ হবার জন্য বেশি তোড়জোড় করা উচিত। শুধু মাত্র ফ্লাই ওভার তৈরী করতে গিয়ে রাস্তার অর্ধেকের বেশি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই দেশের ফ্লাই ওভারগুলি খুব দ্রুত শেষ করা উচিত।

Thursday, September 10, 2015

বালতীতে করে ডাল (Lentil served in a bucket)



[English version has given below]

নেপালের বর্ডারের শহর কাকরভিটা থেকে পোখরা প্রায় ১৬ ঘন্টার পথ, বাসে। চলার পথে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে আমাদের খাওয়ানো হয়েছিল। বললাম হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট, কিন্তু আসল চেহারা একটু অন্যরকম।
মতিঝিলের বিভিন্ন বড় বড় বিল্ডিংয়ের ফাকে যে রকম ঝুপড়ির মতো খাওয়ার জায়গা থাকে, অনেকটা সে রকম। 

একজায়গায় দুপুরে খেতে গেলাম, মানে আমাদের বাস যেখানে থামালো খাবার জন্য। আমাদের আগে কয়েক দল বাস যাত্রী খেয়ে গেছেন। বহু কষ্টে একটু পরিস্কার জায়গা খুজে বের করলাম, যেখানে বসলে অন্তত: জামায় ঝোল লাগার ভয় কম। খাবার দেখে অনেকেই ঠিক করলো, খাবে না। আমাদের প্যাকেজের লোকদের হাকডাকে রেস্ট্যুরেন্টের কর্মচারীরা ছুটাছুটি শুরু করলো। একজন বয়স্ক মহিলা মাঝারী আকারের বালতীতে ডাল নিয়ে টেবিলে টেবিলে ঘুরতে লাগলেন কার লাগবে। যার লাগে টিনের মগে করে দিতে লাগলেন (স্থানীয়রাও ছিল)। বালতির চেহারা বাথরুমের বালতির চেহারার চেয়ে খুব একটা ভাল মনে হলো না। আর ডাল দেয়ার সময় ডালে তার হাতও ডুবে যাচ্ছিলো। এটা দেখে আরও কিছু লোক খাওয়া বন্ধ করে দিল।

পরে ভুটান বর্ডারের কাছে ভারতের খশবু রেস্টুরেন্টে এর উন্নত ভারসন দেখেছিলাম। ওখানকার খাবার বেশ ভাল এবং পরিস্কার। আমাদের দেশে "কড়াই গোশত" রেস্টুরেন্টে যেমন ছোট্ট কড়াইতে গোশত দেয়, তেমনি এরা ছোট তামার বালতিতে করে ডাল দিল। দেখতে খুবই সুন্দর। বলা বাহূল্য সবাই খুবই মজা করে খেল।

আমার মনে হলো, এটাই কি এই এলাকার রীতি? বালতিতে ডাল পরিবেশন করা? রান্নাও কি বালতিতে করে?


From Kakarvitta (Nepal's town at Nepal-India border) to Pokhara we made 16 hours bus journey. During this time our bus stood on several highway restaurants. Well I am naming them highway restaurant, but their structural and food was very poor. Those restaurants looked like our restaurants which are situated between big buildings in Motijhil.

Let me give you an example, at noon our bus stopped in a restaurant for lunch. Several groups of bus people were already taken food there. It was really difficult to find a place where we might have less dirt on table. By watching the situation few of our group people decided not to take anything in lunch. As our tour guide started asking for serving food the restaurant people started moving and serving food. One old lady brought a bucket (Not clean) as we use in our bathroom, made of tin and that was full with lentil. She took a mug (Made of tin) to serve lentil from that bucket to the plates. When she was taking lentil from that bucket her wrist was also get dip into the lentil. By watching this part, some of us stopped taking food.

Later at Bhutan border, in India we take food at Khusboo Restaurant. The food was clean and delicious. There they give us lentil on a cute little copper bucket. In the way we get meat in a pan at "Korai goshto". Everybody enjoyed that lentil.

I thought, actually this bucket lentil is in their culture... Do they cook lentil in bucket too?


[December 12, 2007]

Wednesday, September 9, 2015

মশা আসে শুধু আমার ছেলের জন্য? (Mosquito only comes for my son?)

[English version has given below]

বাসায় মশা নিয়ে বিশাল ঝামেলায় আছি, আর এই ঝামেলা শুধু আমার ছেলেকে নিয়ে। মশারা কোনো কারনে আমার ছেলের পিছনেই লাগে। ছেলে একদিন বেড়াতে গিয়েছিল। অদ্ভুতভাবে লক্ষ্য করলাম, সেদিন ঘরে মশার উপদ্রপ ছিলো না। এমনিতে শান্তি মতো বসাও যায়না। সারারাত জেগে আমি অনলাইনে কাজ করলাম।  এবং মাত্র একটা মশা দেখলাম, সেটাও মেরে ফেলেছিলাম।

একদিন পর আমার ছেলে আসার সাথে সাথেই আবার শুরু হয়ে গেল মশাদের আক্রমন। ওরা জানলো কিভাবে যে আমার ছেলে চলে গিয়েছিল? আর ফিরে আসার খবরই বা কে দিল?

I am in terrible problem with mosquito. And this problem is with my son. Some how mosquitos mostly attack my son only. Once he went out for a day. I surprise to see that day there wasn't any mosquito problem. Whole night I worked online and found only one mosquito (Which I killed later). After one day when he returned, all mosquito came back again and start attacking again. I couldn't understand how they get know about my son's travel and his come back info. 

Tuesday, September 8, 2015

ওদের বর্ডার পার হতে ভিসা লাগেনা? (Don't they need visa to cross the border?)


[English version has given below]

ভারতের বর্ডারের অফিসের সামনের উঠানে দাড়িয়ে দাড়িয়ে পা ব্যাথা করছি। কখন ভিসা প্রসেসিং শেষ হবে, কখন নেপাল যাব। এরমাঝে দেখলাম লোকজন সব বিনা বিকারে সোজা হেটে, জীপে করে, সামনে রাস্তা দিয়ে দিব্যি চলে যাচ্ছে। পুলিশ চুপচাপ দেখছে। বিশেষ করে চিনা চেহারার মানুষদের তো ডেকে কিছু জিগ্যেসও করছে না। কি ব্যপার? তাহলে কি চিনা চেহারা হলে ভিসা লাগেনা? এরমধ্যে দেখলাম কিছু চাইনিজ চেহারা লোক ভিসার জন্য দাড়িয়ে গেল। আবার চিন্তা করলাম এরা তাহলে ভিসা কেন চাচ্ছে?

দাড়িয়ে থেকে পা ব্যাথা হয়ে যাওয়ায় পাশে চা এর দোকানে গেলাম। সেখানে ঐ চাইনিজরাও এলো। এরপর শুরু হলো সমস্যা। দোকানির ভাষা ওরা বোঝেনা, ওদের ইংলিশ উচ্চারন দোকানী বোঝে না। পরোপোকারী আমি এগিয়ে গিয়ে একটা মিটমাট করে দিলাম। তখন ওরা আমার সাথে পরিচিত হলো। ওরা আসলে কোরিয়ান। এই প্রথম কোন বাংলাদেশী দেখল। ভালো । নিজের চেহারা নিয়ে একটু ভাবলাম, এরা তো ভাববে সব বাংলাদেশীরই বোধহয় এই চেহারা, যেমন আমি ওদের দেখে ধরে নিয়েছিলাম।

যাই হোক ভীর না থাকা সত্ত্বেও আমাদের মাত্র ৬ঘন্টা লেগেছিল, নেপালের বর্ডার শহরে হোটেলে উঠতে। আর এও জানলাম, নেপাল-ভারত বর্ডার খোলা। তাই নেপালী আর ভারতীয়দের বর্ডার পার হতে কোন ভিসা লাগেনা। আমি ভাবলাম, বাংলাদেশীরা যদি কোন কথা না বলে ওদের মতোন সোজা বর্ডার পার হয়ে যায় তাহলে কি বুঝতে পারবে?

[১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭]

At India-Nepal border, we were standing on Indian border office. The visa process was taking too long that I was feeling pain on my legs. I couldn’t understand when this visa process will complete and we can go to Nepal.

By this time I saw some people were walking or by jeep crossing the border in front of us to Nepal without hesitation or interrupt by the border Indian police. Especially people, who have china face, didn’t get any hassle by the police. What’s going on? If anyone has china face, no need any visa? By this time I saw some Chinese faced people came and stand in the line for visa? Again thought, then why these people need visa?

The visa process was taking long time that I couldn’t stand anymore. So, I went to a tea stall. Those Chinese faced people also went there. Then another problem rose. The tea maker couldn’t understand their English pronunciation and they don’t understand the shop keeper’s language. You know, I am a very helpful person. So, I went there and solve the problem. Then they gave their identification to me. They were from Korea.  And for the first time they saw any Bangladeshi. I was thinking about my face, because they will guess all Bangladeshi has this kind of face, as I was thinking all Korean’s have that kind of face which they have.

Though there were not much people at the border, we took only 6 hours to get in a hotel of Nepal border from India. Then I get to know Nepal-India border is open. That’s why Nepali and Indian people don’t need visa to move from one country to another. I was thinking if any Bangladeshi cross the border without saying anything will they understand it, because we have same face like Indian’s ;)


[December 10, 2007]

Monday, September 7, 2015

I should have noticed the kid's problem

একটা ছোট বাচ্চা  কতক্ষন খেলনা আর কার্টুন ছাড়া চুপচাপ ঘরে বসে থাকতে পারে, তাই মাঝে মাঝে জানালা দিয়ে আর দরজা খুলে বাইরের মানুষদের দেখতে চাইছিল। কিন্তু ওকে বেশ কড়া করে বকা দেয়া হচ্ছিল... আসলে আমার উচিত ছিল, ওকে বাইরে নিয়ে একটু ঘুরিয়ে আনা... বা দাড়িয়ে  থাকা। শুধু শুধু ছেলেটাকে নিয়ে বকা খাওয়ালাম...

How long a kid stays in a room without cartoon or toys? That's why the kid wanted to view outside through window and door. But he was scolded roughly for this behavior. Actually I should take him outside to spend some time outside the room. It's my fault that he got scolded...

কারুকার্যময় ভুটানী শহর (Beautiful design at Bhutan's town)


[English version has given below]

ভারত থেকে ভুটান এর ভিসা ছাড়াই ভুটানী শহর ফ্রুটসলিংয়ে যাওয়া যায়। ভারত-ভুটান বর্ডারের এক শহর। প্যাাকেজ কোম্পানী এই সুযোগটা নিল। আমাদের নিয়ে জলপাইগুড়ি থেকে ভুটানের শহরে গেলাম। শুরুতেই চমক, খুবই সুন্দর কারুকার্যময় গেইট। ঢোকার পরই মনে হলে, অন্য এক দেশে এলাম। প্রায় প্রতিটি বাড়ির কার্নিশ, গেট, দেয়াল নানা কারুকার্য করা, বাহারী রংয়ে। ভুটানবাসী যে কারুকার্যে খুবই দক্ষ সেটা আর বলে দিতে হয় না। 

গাইড আমাদের নিয়ে গেল ৪তলা সুন্দর এক দালানের সামনে, বলল, এটা বাস স্ট্যান্ড। আপনারা ইচ্ছা করলে এর ছবি তুলে নিয়ে যেতে পারেন, আমি টিকেট কিনে আনি।

এই শহরে একটা কুমিরের খুব ভাল সংগ্রহ আছে। আমরা দেরি করায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই বাইরে থেকেই খাঁচার নানা ধরনের কুমির আর ঘড়িয়াল দেখতে হলো। কুমির গুলো ঘুমাচ্ছিল। আমাদের ক্যামেরার ফ্ল্যাসের আলোয় একটু চোখ খুলে আবার ঘুমিয়ে পড়ল।

মার্কেটে গেলাম, এখানেই প্রথম চোখে পড়ল বাংলাদেশী সামগ্রী। কোক, ফানটার পাশাপাশি ফিয আপ , লাক্স এর পাশে কেয়া সাবান দেখে কি যে ভাল লাগল।

কয়েক দোকানে কার্টুন বক্সে নানা জিনিস (ড্রেস আর জুতা) ডিসকাউন্টে বিক্রি করছে। সবাই যে যার ইচ্ছা মতোন নেড়ে চেড়ে দেখছে, কোন পাহাড়া বা সিকিউরিটি ক্যামেরা নেই।

সবচেয়ে যে জিনিসটা ভালো লেগেছিল, সেটা হলো ওরা খুবই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। সব দোকানের সাথে আছে ডাস্টবিন।


From India you can go to one town of Bhutan, without any visa. That is Phuentsholing Town. This is situated at the border of India. Our tour management took this opportunity. They took us from Jalpaiguri to Phentsholing. We were amazed first by looking at the gate with amazing design work of Phuentsholing Town. After entering the town, we understood we are in the different world. Almost every house, its door and window are made with very good design of craft. No doubt that Bhutan's people are very good in making amazing designs.

Our guide took us to a beautiful 4 storied building. We surprised when he said, "This is the bus stand of this town. You can take pictures; I am going there to cut tickers."

This town has very good collection of crocodile. We were little late to go there so the park was close. But still we stand outside and watch different kind and size of crocodile from outside the park. They were sleeping. When we took picture the open their eyes to see the flash light then again fall in sleep. 

We went to the market and saw there were different Bangladeshi products. Like with coke, fanta they have fizzup, with lux soap they have Keya soap. Really felt great.

In some shop they put some dress and shoes in the cartoon box and giving discounts. There was no security or security camera. People can easily check those things.

Mostly I like this town because it's clean. With every shop you will see dustbin.


[December 07, 2007]

Thursday, September 3, 2015

যা কিছু সুন্দর (All beautiful things)

শাফিন (আমার ছয় বছরের ছেলে) আবিস্কার করলো, এই পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর, সবই মেয়েদের জন্য... কি আর বলব, দুনিয়াটাই এমন...

Shafeen, my 6 years old son found that all beautiful things in this world are for women only... Well what can I say, world isn't equal to all always...

Wednesday, September 2, 2015

দার্জিলিং এর চা(Tea from Darjeeling)


[English version has given below]

যাওয়ার আগেই দেশ থেকে বলে দেয়া হয়েছিল, যেন আসার সময় দার্জলিংয়ের চা নিয়ে আসি।

দার্জিলিংয়ে আমরা যে রেস্টুরেন্টে খেতাম, তার সাথে একটা হাই ফাই চা পাতার দোকান ছিল। দেখেই ভয় পেয়েছিলাম, না জানি এখানে দাম কতো হবে। হলোও তাই, দোকানদার ভাংগা ভাংগা বাংলায় বলল যদি ভাল চা চান তো ১৯০০রুপি কেজি নিতে পারেন। আমাদের করুন মুখ দেখেই হয়তো আরেক ধরনের চা দেখালো, বেশ কারিশমা করে হাত দিয়ে ডলে তারপর মুখের সামনে ধরল। গন্ধ ভালো। এটার দাম নাকি ২০০ রুপি কেজি, তবে আমরা বাংগালী এবং এই কোম্পানীর মালিকও নাকি বাংগালী তাই ১৮০ রুপি কেজি। এটাই নাকি মালিকের নির্দেশ। দোকানদারও নাকি বাংগালী, তবে হিন্দি বলতে বলতে এখন নাকি বাংলা ভুলে গেছে। যাই হোক, এখান থেকে কেনা হয়নি।

পরের দিন হাটতে হাটতে মোড় এ আরেকটা চায়ের দোকান দেখলাম। আমাদের দেশের নীলক্ষেতের দোকানের মতোন, ভাবলাম এ হয়তো কম চাবে। এর চা যেটা পছন্দ করলাম সেটা ১৬০টাকা কেজি।

পরে আমাদের গাইড বলল, সে আমাদের চা বাগানে নিয়ে যাবে, সেখান থেকে নাকি আসল ভাল চা পাব। তাই সই। নিয়ে গেল আমাদের, চা বাগানে নয়, বাগানের পাশে রাস্তার ধারে টিনের ছাউনি দেয়া একজায়গায়, সেখানে চা বিক্রি হচ্ছে ২০০টাকা কেজি। তারা স্যাম্পল চা-ও খাওয়ালো, ভালোই।

বাসায় আনার পর ভাল ধরা খেলাম, চা হলো খুবই পাতলা। বাসার কেউ কেউ বিদ্রোহ করলো, এই চা খাবে না। এখন যেটা করি, দেশি চায়ের সাথে মিশিয়ে দেই, ভাল গন্ধ পাওয়া যায়। আর অনেক্ষন জ্বাল দিলে খেতে খারাপ লাগেনা। আমি দেখেছি এই চা খেলে মাথা ধরা কমে চলে যায়, বেশ ফ্রেশ লাগে।



Before we went to Darjeeling, all told us, they want to taste Darjeeling tea, so we must not forget to bring some.

In Darjeeling there was tea shop (Very gorgeous) just beside our restaurant. I afraid, here price must be high. Yes, as I thought. The shop keeper told us in poor Bangla, if we want best quality tea then it will cost 1900 rupee per kg. Then he must saw something on our face so he brought another kind of tea. He masses them on his hand in especial style then gives us to check. Really smelt good. He said this will cost 200 rupee per kg. But as we are Bengali he will take 180 rupee per kg, because the shop owner (And the keeper also) is also Bengali but after living all these years in Darjeeling, he forget Bangla language. Anyway we didn't buy anything from here.

Next we found another tea shop in walking distance. It looks like a shop from Nilkhet. We guessed here we might found something cheap. The tea we choose here was 160 rupee per kg.

Later our guide told us, he will take us to a tea garden, we can buy tea from that garden, which is genuine. We agreed. He took us a tin shaded tea shop beside the road (Could be near garden). They give us sample, which tasted good. So, we bought here tea 200 rupee per kg.

But finally when we returned home, we found we were wrong about those tea leaves. The tea made from it isn't dense enough. Nobody liked it, some said, they won't taste it more. But I found it’s not that bad. I mixed it with regular tea leaf and keep it warming for several minutes... then it tasted really good and the whole house covered with beautiful tea leaf smell. I liked that very much. Even I found it helps to reduce my headache and made me feel refresh.

[December 03, 2007]

Tuesday, September 1, 2015

অন্যকে দিয়ে যখন কাজ করাবেন (When you make others to work)

[English version has given below]


আপনি যখন কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করাবেন, তখন এটা ভাবার কোনো কারন নেই, আপনার নির্দেশ অনুসরন করে, ঠিক আপনার মতো করেই কাজ করবে। আসলে প্রতিটি মানুষই আলাদা।  তাই তার কাজ এবং ফলাফলও আলাদা। সে আপনার চেয়ে ভাল করে (সম্ভাবনা কম) অথবা খারাপ করে করবে, এটা মেনে নিয়েই আরেকজনকে দিয়ে কাজ করাতে হবে। অযথা চেচামেচি না করে, বুঝিয়ে যতটা ঠিক করে নিতে পারেন, ততই আপনার লাভ।

When someone else will work for you, you can’t expect they will follow your instruction and will do exactly same as you would do. Every person is different, and so are their work and its result. So, either they will do job better than you (May be not much people) or less good than yours. Except it, with scream, try to make things better by explaining… that’s all you can do…