Friday, June 28, 2013

দুনিয়াতে মেয়েদের মন পাবার জন্য খুব বেশি করার দরকার নেই।


অনেকেই বলেন, মেয়েদের মন বোঝা যায় না, মেয়েরা যে কি চায় কিছুই বোঝা যায় না। আমি বলব? মেয়েরা চায় একটু সম্মান। ভাবছেন, সে তো পায়ই। নাহ পায় না।

একটা ছেলে যখন একটা মেয়েকে দেখে, তখন শারিরীক কারনেই প্রথমত: আকর্ষন অনুভব করে। খারাপ কি, এটাই স্বাভাবিক। তারপর তাকে পাবে না জেনে বা পাবার জন্যই নানা রকম কাজ কর্ম করতে থাকে। এতেও দোষের কিছু দেখিনা। কথা হলো সেই কাজকর্মগুলো কি? কোকিলের মতো শীষ বাজানো, কি ভেবে করে, এই সুরেলা সুর শুনে মেয়েটা মুগ্ধ হয়ে যাবে বা তার দৃষ্টি আকর্ষন করা যাবে? অথবা নিজের হেরে গলা ছেড়ে গান? বাজে কুরুচিপুর্ন মন্তব্য যাতে মেয়েটা অসস্তিবোধ করে। তাই দেখে আনন্দ নেয়া। চোখ দিয়ে কাপড়ের উপরে যতটা সম্ভব শরীরের নানা অংশ বোঝার চেস্টা করা? যাতে মেয়ে খুব আনন্দ বোধ করে?

আসলেই কি মেয়েরা এসব পছন্দ করে? না। তাহলে মেয়েদের আকর্ষন করার জন্য এসব কেন?

অনেকে বলেন, আমরা একটা পাইনা আর এই ছেলে একের পর এক মেয়ে পটিয়ে যাচ্ছে। মেয়েরা এই কুদর্শন ছেলের মধ্যে যে কি দেখে, সব এর জন্য পাগল। বলছি, কি ভাবে এই ধরনের ছেলেকে, কেন এতো মেয়ে পছন্দ করে। মেয়েদের প্রতি সম্মানবোধ। সেটা যদি মন থেকে নাও দিতে পারেন, তো অন্তত: উপর দিয়ে বা সামনা সামনি ভাবে দেখান, এটাও জেনেশুনেই মেয়েরা পছন্দ করে।

বাসে প্রচন্ড ভীড়, সবাই দাড়িয়ে থাকা মেয়েটা আরো বেশি ঢাক্কা দিচ্ছে, এসময় যে ছেলেটা পাশে দাড়িয়ে ঢালের মতো মেয়েটাকে বাঁচিয়ে দিবে, মেয়েরা তাকে পছন্দ করবে। সবাই একসাথে পিকনিকে যাচ্ছে, সবচেয়ে ভাল সিট দখল করে আপনি বসে থাকলেন আর মেয়েরা কষ্ট করে পিছনের সিটে বসল। কি ভাবছেন মেয়েরা আপনাকে বীর পুরুষ ভাবছে? নাকি ওদের সামান্য সুবিধাটুকু দিয়ে আপনি দাড়িয়ে থাকলে ওদের চোখে আপনার সম্মান বাড়বে?

এমনি নানা খুব ছোটখাট সুবিধা আছে, যা আপনার না হলে তেমন কিছু আসে যায় না, অথচ মেয়েদের জন্য বেশ বড় ইস্যু। এটা মনে রাখবেন। ভাড়ি কোন জিনিস ক্যারি করে দেয়া, গেইটা খুলে দাড়িয়ে আগে ঢুকতে দেয়া, আর কিছু না হোক, রাস্তায় কাউকে বিরক্ত না করা বা ঢাক্কা না দেয়া এসবও  অনেক। আপনি মেয়েদের স্বাধীন ভাবে চলতে দিন, পারলে সাহায্য করুন। দেখবেন মেয়েরা খুব সুন্দর ভাবে সহজে আপনার সাথে মিশছে, কথা বলছে। দুনিয়াতে মেয়েদের মন পাবার জন্য খুব বেশি করার দরকার নেই।

তবে আপনি যদি কোন মেয়ের, সবচেয়ে প্রিয় আসন স্থায়ী ভাবে পেয়ে যান, তাহলে অবশ্য এরপর আরো অনেক কিছু যোগ হবে। কারন সাড়া দুনিয়ার সুখ সে তখন আপনার কাছ থেকে পাবার আশা করবে। আর তার এই ভালবাসা ধরে রাখার জন্য আপনাকে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। না হলে, ধীরে ধীরে না পাবার কষ্ট মেয়েদের মনে বসে যায়। সে, না সুখি হতে পারে, না আপনাকে সুখি করতে পারবে। আর সম্মান দেখানোতে আপনার সম্মান কমবে না।

5 comments:

rajib-hawlader said...

ভাবির সব কথাগুলো এতটা সহজ মনে হচ্ছে না..

Anonymous said...

Liking and disliking of different individuals are not typical. Some girls like many of what you mentioned their dislikes but the ladykillers are efficient enough to tempt them.

মজলুম said...

কিন্তু আপু, বর্তমানে মেয়েদের ড্রেস যেমন পরিবর্তন হয়েছে তেমনি তাদের আচরণেও। বাইরে বেরুলে মেয়েদের যেমন পোষাক চোখে পরে তাতে ওই মেয়ের দিকে না তাকালে আপনি-ই আমাকে নপুংশক বলবেন। এই পাপের ভাগি আমি হবনা। আমি প্রাকৃতিক মানুষ, রোবট নই। আর ঘরের ভেতরে অবস্থাটা এখন এমন যে বৌকে বসতে দিলে শুয়ে পড়ে আর শুইতে দিলে ঘুমায়ে যায় এমন। খমতার জোর মানে নারি নির্যাতন আইন তো আছেই, আসলে এটাকে নারিকে উষ্কে দেয়া আইন বলাই ভাল। আমি বলতে চাচ্ছি অনেক মেয়েরই জীবনে ক্ষুধা মিটেনা মানে খালি খাই খাই। স্বামীর পকেট ফাকা তারপরেও দামি শাড়ি চাই মানে মাল্টি-হাজার টাকার। দিতেই হবে কারন বৌকে ভালবাসলে পকেট ফাঁকা থাকলেও এটা কর্তব্য! ধার করে এনে দিলেও চুন থেকে পান খসলে সমস্যা। তারপরে আছে শালা-শালি, শশুর-শাশুড়ি এবং তাদের নানান সমস্যা। এখানেও চুন থেকে পান খসলে সমস্যা। কিন্তু পকেট ফাঁকা। কারন বৌকে ভালো বাসলে এইসব সাধারণ ব্যাপার। আবার বৌকে তার শশুর-শাশুড়ির খোজ-নিতে বললে হবে অপরাধ। ব্যাপারটা এমন যে ছেলেরা মা-বাবা ছাড়াই জন্মাইছে। আবার বৌ এর কাছে আদর করে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি খেতে চাইলে বূয়ার হাতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। হায়রে ভালোবাসা।

অন্যদিকে যে মেয়েকে বাসের সিট ছেড়ে দেবেন সে একবার ধন্যবাদও দেয়ার প্রয়োজন মনে করেনা। যাকে উদ্ধার করবেন বা রক্ষা করবেন পরে আবার সেই ভাববে কোন একটা উদ্দেশ্যে এটা করেছে সুতরাং ধন্যবাদ না দিয়ে তারাতারি সটকে পরি। এমতাবস্থায় ছেলেটা ভবিষ্যতে এইরকম ভালো অভ্যাস ত্যাগ করলে তার দায়িত্ব মেয়েটার উপর বর্তায়। দুরপাল্লার বাসে পাশের সিটে মেয়েটা সারা রাস্তা জালিয়ে খেলো আবার পথ-রেস্টুরেন্টে খাবার-ও খেলো ফ্রি কিন্তু যাবার আগে একবার সুন্দর করে কথাও বল্লনা, কেমন লাগে? আমি কি পিরিত করার জন্যে এগুলো করেছি? আসলে মেয়েদের চেনা বড়ই দায় আপু, মাইন্ড কইরেন না। আমি মেয়েদের অনেক সম্মান করি, আমার ঘরে অনেকগুলা বোন কিন্তু ৭৫% মেয়েকে আমার মনে হয় তারা স্বার্থ ছাড়া আর কিছু বোঝেনা। তবে ২৫% অনেক ভালো এবং তারাই প্রশংশা পাবার যোগ্য। কিন্তূ পুরুষের মধ্যে বাস্তবে মাত্র কতিপয় খারাপ এবং অনেকাংশেই আপনি সম্মান পাচ্ছেন এবং পাবেন। হিসেব করে দেখুন আজ সারাদিন কয়টা ছেলে আপনাকে অপমান করেছে আর কয়জন সম্মান করেছে। ইসলাম ধর্মেও আছে মেয়েরাই দুনিয়া নষ্টের কারন হবে এবং তা এখন শুরু হয়ে গ্যাছে অলরেডি। সুতরাং ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের পাপের জন্যেই মেয়েরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী। তবে ছেলেরা নিষ্পাপ নয়।

Shahana Shafiuddin said...

মজলুম, Islam didn't say world will be damaged by the woman, It said when the world will be damaged, they will keep woman open, to enjoy.

Unknown said...

Hi, I like your post really I have read first-time Thanks for sharing keep up the good work.


rohu fish farming