Showing posts with label মন. Show all posts
Showing posts with label মন. Show all posts

Tuesday, June 30, 2015

যেখানে গেলে মন ভালো হবেই (I can assure, this place will refresh your mind)


[English version has given below]

একটা ব্যাপার নিয়ে মন মেজাজ খুব খারাপ ছিল (পরে বলব)। যখন লংকাউই দ্বীপে পৌছলাম, এত সুন্দর চারপাশ ! কিছু ক্ষনের মধ্যেই মন ভালো হয়ে গেল।
শীপ থেকে নেমেই দেখলাম চারপাশে সাদা সাদা অনেক বোট, নীল সমুদ্র আর সুন্দর জেটি।
গাড়ি ভাড়া করে রওনা হয়ে গেলাম পাহারের গা বেয়ে রাস্তায়। সুন্দর সবুজ, সাথে নীল সাগর, সুন্দর রোদ্র। কয়েক মিনিটে মনটা হালকা হয়ে গেল। কি সুন্দর চারপাশ, কি সুন্দর পরিবেশ, কি সুন্দর দিন, কি নির্মল হাওয়া!


I was really upset with some matters (May tell you later), but when we reached at Langkawi Island, I was just amazed how beautiful it is, within few minutes it changed my mind.

When we get down from the ship we saw there were many white boats around us, blue sea and beautiful jetty. We rented a car and started going towards the motel. I was watching from the care beautiful green with blue sea, beautiful sunlight. It really refreshes mind. What a beautiful this place is, beautiful environment, beautiful day with beautiful gentle breeze!

[April 28, 2007]

Wednesday, January 28, 2015

মন ভালো থাকলে (When you are happy)


[English version has given below]
মন ভালো থাকলে কি না ভালো লাগে, অতি বিরক্তিকর কাজও কত স হজে করা যায়। গায়ে জর নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা যায়, অসুস্থ অবস্থায় কাজ করা যায়, সাড়া রাত জেগে গান করা যায়... কতো কি... 
কিন্তু কেন জানি এই অবস্থা বেশি ক্ষণ থাকেনা। কোনো না কোনো কারণে দু:খ আবার আসে ।
When you are happy, everything looks nice. Any worse or painful work can be done easily. You can go in to the rain with fever; you may awake whole night and sing... there are many more things which you may do...
But you know this good feeling or happy feeling doesn’t stay for long. Something happened and the sorrows come back.

Monday, October 13, 2014

মন এবং মগজ (heart and brain)


মন এবং মগজ সব সময় দুই কথা বলে. মনের কথা শুনলে পরে আপসোস করতে হয়. তারচেয়ে মগজের কথা শোনা ভাল. মগজ ভুল কম করে. কিন্তু মনের শক্তি অনেক. তার মতের বিরুদ্ধে গেলে শারীরিক ভাবে অসুস্থ বানিয়ে দেয়. মনকে ভুলানো শুরু করেছি. মনকে বলেছি, আশা নিয়ে থাকো, একদিন না একদিন আশা পুরন হবে. মগজকে বলেছি, মন তার আশা নিয়ে বসে আছে, তোমাকে জালাতন করবেনা, তুমি তোমার মতো কাজ করো....


মৃতুর আগ পর্যন্ত আশা নিয়ে বসে থাকলে আর মন ভাঙ্গার সম্ভাবনা নেই. আর মগজ যদি ঠিক মতো কাজ করতে পারে তো জীবন আর আটকে থাকবে না....দেখা যাক এবার কি ফলাফল হয়.

Heart and brain always says contradictory words. If listen to the heart, later had to regret, better listen to the brain. It makes fewer mistakes. But heart is very powerful element of human body, it makes us sick physically. So I had to find a middle way. I have told to my mind that keeps hope. Someday your hope may fulfill, just keep waiting. And then asked brain, you can work as you wanted... mind/heart won't disturb you.


If my mind keeps its hope till death then it will never be broken and if my mind can work properly then my life will move on... I won't stick in one place.... Let’s see what comes next

Tuesday, October 22, 2013

সুষ্ঠুভাবে করা কাজই মন ভালো করে দিতে পারে

শাফিন, আমি আর সাজিয়া (আমার ছোট বোনের মেয়ে)।
চেষ্টা করি সবাইকে ঠিক মতো দেখাশুনা করতে

কোন কারনে যখন  আপনার মন ভালো থাকে, দেখবেন সব কাজ কত সহজে সুন্দরভাবে করছেন। খুব ভালোভাবে চিন্তা ভাবনা করতে পারছেন। নিজের সব কিছু ভাল লাগছে, আপনার কারনে আপনার আশেপাশের মানুষও ভালোবোধ করছে।

আর যখন মন খারাপ থাকে, ঠিক ভাবে ব্রেইন কাজ করে না, কোন কাজই করতে ইচ্ছা করে না, অথচ সবই করতে হয়। সব কিছুই মনে হয় ভারি বোঝা হয়ে ঘাড়ে চেপে বসেছে।

সবাই বলবে মন ভালো করো। তা কি আর এমনি এমনি হয়? নিজের মনের সাথে নিজেই কাউন্সেলিং করতে করতে হয়রান হয়ে যাচ্ছি। কতক্ষন এভাবে চলতে হবে জানা নেই।

আমি দেখেছি, আমি যখন কোন কাজ পার্ফেক্টলি করতে চেষ্টা করি। তখন সব কিছু অনেক বেশি বেশি করা হচ্ছে বলে মনে হয়, সময় বেশি লাগে, বেশি শ্রম দিতে হয়, কাজের মাঝে অন্য কাজও করতে হয়। তারপর সেই কাজটা যখন শেষ হয় তখন খুব ভাল লাগে। কাজগুলো ঠিক মতো করার ফলে আশেপাশের অন্য কাজও অনেকটা করা হয়ে যায়। সেটাও ভাল লাগার আরেকটা কারন।

তবে কি কাজ ঠিক মতো করার মাঝেই আমার প্রকৃত আনন্দ লুকিয়ে থাকে? হয়তো শুধু মাত্র এভাবেই আমি নিজেই নিজেকে আনন্দ দিতে পারি। আর ভালবাসা? সেতো অন্যের হাতে...

Thursday, October 10, 2013

মনের যে কোন ছোট সন্দেহকে ছোট করে দেখবেন না, মন হঠাৎ হঠাৎ বড় সত্য বলে (Never let small doubts go without judging, sometimes they brings the bigger truth)


যখন, জীবনে কোথাও, কোন কাজ, ভুল বলে মনে হয়, তখন আবার প্রথম থেকে ভাবতে বসি। ভুলটা কেন করলাম। কোন জায়গায় এসে সত্য নক্ করেছিলো আর আমি শুনিনি। একসময় ঠিকই বের করতে পারি। মনে হঠাৎ একটা খট্কা এসেছিল একবার। কিন্তু তখন গ্রাহ্য করিনি। অথচ সেই ছোট্ট খটকাই একসময় সবচেয়ে বড় সত্য হয়ে সামনে আসল। এমনই হয়। যখনই কোন বিষয়ে সামান্য সন্দেহ হয়, তখনই উচিত সেটাকে আরেকবার ভাল করে খোজ নেয়া। যতদূর সম্ভব। পরে সমস্যা বড় আকারে আসার আগেই। যেমন: বাথরুমের স্যান্ডেল পাল্টাতে হবে, কারন বেশ পিচ্ছিল। পরে পিঠের হাড্ডি ভাংগার আগেই সেটা করতে হবে।

Whenever I felt, I did something wrong, I start thinking from the beginning. Where the truth sparked and I didn't notice. After thinking a lot I could found that moment. Where I should think twice or make some investigation to know the truth on that way. So, whenever small doubts comes in your mind, please check it again, may be a big truth just want to say you the details. Like, when you found your bathroom sandals became slippery, please change it before you fall down and break your backbone.

Thursday, July 25, 2013

এখন স্বাধীন হয়েও আছি নিজের শাসনে


শাসন জিনিসটা যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা প্রত্যেক বাবা-মা ই জানেন। আর হাড়ে হাড়ে সেটা অনুভব করে শিশুরা। সবাই নিজের ছোটবেলাকে পছন্দ করে..।
সেটা যেমনই হোকনা কেন, খুব মজাদার সবার কাছে। আমার কাছে নয়। কেন যেন বড়দের শাসনের অধীনে আছি, এই অবস্থাটাই আমার কাছে ভাল লাগে না। অথচ এখন স্বাধীন হয়েও আছি নিজের শাসনে। নিজেরই ভালোর জন্য। তারপরও মাঝে মাঝে মন শাসন ছেড়ে বেড়িয়ে খোলা আকাশে নি:শ্বাস নিতে চায়। তাই মাঝে মাঝে একটু আধটু ছাড় দেই। তবে যতবারই ছাড় দিয়েছি, ততবাড়ি কোন বিষাক্ত স্মৃতি নিয়ে ফিরেছে। এই জন্যই মনে হয়, এরচেয়ে মনকে শাসনে রাখলেই ভাল। অক্সিজেন কম বেশি হোক, বিষাক্ত কিছু তো আর মনকে কষ্ট দিবে না...

Friday, June 28, 2013

দুনিয়াতে মেয়েদের মন পাবার জন্য খুব বেশি করার দরকার নেই।


অনেকেই বলেন, মেয়েদের মন বোঝা যায় না, মেয়েরা যে কি চায় কিছুই বোঝা যায় না। আমি বলব? মেয়েরা চায় একটু সম্মান। ভাবছেন, সে তো পায়ই। নাহ পায় না।

একটা ছেলে যখন একটা মেয়েকে দেখে, তখন শারিরীক কারনেই প্রথমত: আকর্ষন অনুভব করে। খারাপ কি, এটাই স্বাভাবিক। তারপর তাকে পাবে না জেনে বা পাবার জন্যই নানা রকম কাজ কর্ম করতে থাকে। এতেও দোষের কিছু দেখিনা। কথা হলো সেই কাজকর্মগুলো কি? কোকিলের মতো শীষ বাজানো, কি ভেবে করে, এই সুরেলা সুর শুনে মেয়েটা মুগ্ধ হয়ে যাবে বা তার দৃষ্টি আকর্ষন করা যাবে? অথবা নিজের হেরে গলা ছেড়ে গান? বাজে কুরুচিপুর্ন মন্তব্য যাতে মেয়েটা অসস্তিবোধ করে। তাই দেখে আনন্দ নেয়া। চোখ দিয়ে কাপড়ের উপরে যতটা সম্ভব শরীরের নানা অংশ বোঝার চেস্টা করা? যাতে মেয়ে খুব আনন্দ বোধ করে?

আসলেই কি মেয়েরা এসব পছন্দ করে? না। তাহলে মেয়েদের আকর্ষন করার জন্য এসব কেন?

অনেকে বলেন, আমরা একটা পাইনা আর এই ছেলে একের পর এক মেয়ে পটিয়ে যাচ্ছে। মেয়েরা এই কুদর্শন ছেলের মধ্যে যে কি দেখে, সব এর জন্য পাগল। বলছি, কি ভাবে এই ধরনের ছেলেকে, কেন এতো মেয়ে পছন্দ করে। মেয়েদের প্রতি সম্মানবোধ। সেটা যদি মন থেকে নাও দিতে পারেন, তো অন্তত: উপর দিয়ে বা সামনা সামনি ভাবে দেখান, এটাও জেনেশুনেই মেয়েরা পছন্দ করে।

বাসে প্রচন্ড ভীড়, সবাই দাড়িয়ে থাকা মেয়েটা আরো বেশি ঢাক্কা দিচ্ছে, এসময় যে ছেলেটা পাশে দাড়িয়ে ঢালের মতো মেয়েটাকে বাঁচিয়ে দিবে, মেয়েরা তাকে পছন্দ করবে। সবাই একসাথে পিকনিকে যাচ্ছে, সবচেয়ে ভাল সিট দখল করে আপনি বসে থাকলেন আর মেয়েরা কষ্ট করে পিছনের সিটে বসল। কি ভাবছেন মেয়েরা আপনাকে বীর পুরুষ ভাবছে? নাকি ওদের সামান্য সুবিধাটুকু দিয়ে আপনি দাড়িয়ে থাকলে ওদের চোখে আপনার সম্মান বাড়বে?

এমনি নানা খুব ছোটখাট সুবিধা আছে, যা আপনার না হলে তেমন কিছু আসে যায় না, অথচ মেয়েদের জন্য বেশ বড় ইস্যু। এটা মনে রাখবেন। ভাড়ি কোন জিনিস ক্যারি করে দেয়া, গেইটা খুলে দাড়িয়ে আগে ঢুকতে দেয়া, আর কিছু না হোক, রাস্তায় কাউকে বিরক্ত না করা বা ঢাক্কা না দেয়া এসবও  অনেক। আপনি মেয়েদের স্বাধীন ভাবে চলতে দিন, পারলে সাহায্য করুন। দেখবেন মেয়েরা খুব সুন্দর ভাবে সহজে আপনার সাথে মিশছে, কথা বলছে। দুনিয়াতে মেয়েদের মন পাবার জন্য খুব বেশি করার দরকার নেই।

তবে আপনি যদি কোন মেয়ের, সবচেয়ে প্রিয় আসন স্থায়ী ভাবে পেয়ে যান, তাহলে অবশ্য এরপর আরো অনেক কিছু যোগ হবে। কারন সাড়া দুনিয়ার সুখ সে তখন আপনার কাছ থেকে পাবার আশা করবে। আর তার এই ভালবাসা ধরে রাখার জন্য আপনাকে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। না হলে, ধীরে ধীরে না পাবার কষ্ট মেয়েদের মনে বসে যায়। সে, না সুখি হতে পারে, না আপনাকে সুখি করতে পারবে। আর সম্মান দেখানোতে আপনার সম্মান কমবে না।