Showing posts with label অন্যের. Show all posts
Showing posts with label অন্যের. Show all posts

Saturday, March 14, 2015

অন্যের ফাই ফরমাস খেটেই জীবন কাটিয়ে দেয় (Spending life by helping in other's job)

[English version has given below]

সব মানুষেরই জীবনে একটা লক্ষ্য থাকে। কারো কারো অনেক বড়, কারো কারো খুব ছোট. আপনি ভাবছেন সবাই নিজের ভবিষ্যত  নিয়ে ভাববে, এটাই তো স্বাভাবিক। হ্যা স্বাভাবিক, তবে এই ভাবনা যে কত বিচিত্র হতে পারে, তা কল্পনাও করা যায়না। অনেকে নিজের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কি কি জীবনে পাওয়া সম্ভব তার পরিকল্পনা করে. আবার কেউ কেউ ভাবে, বা না ভেবেই অন্যের ফাই ফরমাস খেটেই জীবন কাটিয়ে দেয়। ভাবছেন এও সম্ভব? নিজের জন্য কিছু করবেনা? নাহ.... যাদের ফাই ফরমাস খেটে জীবন কাটাবে, তারা হয়তো কখনো না খাইয়ে রাখবে না এই বিশ্বাস নিয়েই বাকি জীবনের ভাবনা শেষ করে দেয়.

দুনিয়াতে এদের দরকার আছে. না হলে ফাই ফরমাস খাটবে কে? যারা খাটায় এবং যে খাটে দুপক্ষই খুশি।

Every people on this earth has a goal. Some has big, some make small. You are thinking it's very natural that people will have goal. Yes it's natural. But you can never imagine how peculiar these goal can be. Some depend on their strength to set and achieve goal. But some thinks or without thinking they made goal to spend life by doing other's odd job. Is that possible? Won't they think any achievement for themselves? NO... they spend their life by helping (Slaving) in other's life and thought that the people who are taking their help won't keep them hungry.

Well, the world need these people, other wise who will work  or helping in other's work without any credit? Both who works and who make the works are happy here.

Thursday, September 5, 2013

যার স্বভাবই অন্যের খুত ধরে বলাবলি করা


কেউ যখন ভুল বোঝে, তখন আপনার হাতে কিছু উপায় থাকে, পরিস্থিতি ঠিক করার। তাকে ভালো করে মুল ব্যাপারটা বুঝিয়ে, একই রকম ঘটনা আবার তার সামনে এনে, এমনি নানা ভাবে বোঝানো যায়, যে আসলে কি হয়েছিল। কিন্তু কেউ যখন বদনাম করে বেড়ায়, অভ্যাসের বসে, সেটা কি করে ঠিক করবেন? কথায় বলে, "স্বভাব যায় না মলে"। 
একদম ঠিক। অন্যের বদনাম বা খুত ধরে বেড়ানো যার স্বভাব, তাকে আটকানো যায় না। সে কোথাও চুপ করে বসে থাকলেও সামনে যাকে দেখবে, তার কোনো না কোন সমস্যা খুজে বের করে পাশের জনের কানে ফিস ফিস করে বলবে। এই স্বভাব তো যাবে না। সমস্যা হলো যার কানে বাজে কথা লাগায়, তার ঐ লোকের প্রতি একটা খারাপ ধারনা হতে শুরু করবে। এভাবে ধীরে ধীরে হয়তো সম্পর্কই খারাপ হয়ে যাবে, সম্পূর্ন অকারনে। এজন্য কেউ যখন আপনার কাছে কারো সম্পর্কে খারাপ বলে, তখন তাতে তাল মিলিয়ে তাকে উৎসাহিত করবেন না। মনে রাখবেন, আগামীতে এই একই লোক আরেকজনের কাছে, আপনার সম্পর্কে বলে বলে খারাপ ধারনা তৈরি করে দিবে।

Friday, June 7, 2013

অন্যের জন্য লেখা


আমরা অনলাইনে যা বলি বা লিখি, সবই হয়তো আরেকজনের জন্য। কেউ পড়বে, কি ভাববে, কি মন্তব্য করবে, এসবই লেখার সময় মাথায় রাখি বা মনের অজান্তেই চলে আসে। সমস্যা হলো, কখনোও কখনও এই বিষয়টাই মুখ্য হয়ে দাড়ায়। মানে আপনার লেখা আর আপনার থাকে না। এটা তখন, অন্যে কি পছন্দ করবে না করবে, তারপর ভিত্তি করে লেখা হয়ে যায়। এতে সাময়িক উপকার হলেও, মানে অনেকে পছন্দ করলেও শেষ পর্যন্ত আপনি আপনার স্বকীয়তা হারাবেন, আর সেই সাথে হারাবেন আপনার জনপ্রিয়তা। শুনেছি মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয়তা (তার জীবদ্দশায়) কমে যাওয়ার কারনও নাকি ছিল এই, পাবলিকের পছন্দ অনুসারে চলা।