Showing posts with label শাফিন. Show all posts
Showing posts with label শাফিন. Show all posts

Monday, August 4, 2014

একটা ডাক নাম দিয়েছে, "ঘুমপাড়ানি মাসি পিসি" (A nick name given "ghum parani masi pisi" or "aunt of sleeping")


আমার বোনেরা আমার একটা ডাক নাম দিয়েছে, "ঘুমপাড়ানি মাসি পিসি". কারন ছোট বাচ্চাদের কোলে রাখতে, কান্না থামাতে আমার জুড়ি নেই. আমি ছোট বাচ্চা খুবই পছন্দ করি. কোলে নিয়ে আদর করি. ওরা আরামে ঘুমিয়ে পরে. অনেকে ঠাট্টা করে বলে, গায়ে ফোম লাগানো অনেক, তাই বাচ্চারা পছন্দ করে. কারন যাই হোক, বাচ্চারা আমাকে পছন্দ করে এটাই আমার বেশি ভাল লাগে.

কিন্তু আমি সম্পুর্ন ভাবে ব্যর্থ আমার নিজের ছেলের কাছে. ও যখনি বুঝতে পারে ঘুম চলে এসেছে তারাতারি বলে, আমি খাবো, লাফ দিয়ে দাড়িয়ে যায় যাতে ঘুমাতে না হয়, চোখ বড় বড় করে খুলে রাখে. খেলা শুরু করে দেয়. লাফালাফি করতে থাকে, কিন্তু ঘুমায় না.

ও না ঘুমালেও অসুবিধা ছিলোনা, যখন মন চায় ঘুমাবে, কিন্তু যতক্ষন জেগে থাকে আমাকেও (কাউকেও) ঘুমাতে দেয়না. তাই পরিস্হিতি মোকাবেলায় ওর ব্যবস্থাই মেনে নিয়েছি. ও যখন ঘুমায়, আমিও ঘুমিয়ে নিতে চেষ্টা করি. ফলাফল হলো, এখন সারা রাত জাগি আর দিনে ঘুমাই.

সারাদিন ঘুমালে ওর চলে, আমার তো চলে না. বুয়া আসে, ময়লা নিতে আসে, বাইরে কেনা কাটা, ব্যাংক ইত্যাদি নানা কাজ থাকে. এসব তো আর সারা রাত ধরে খোলা থাকে না. তাই এটা  নিয়েও খানিকটা অসুবিধায় আছি. দেখা যাক. এরও একটা সমাধান বের করতে হবে.

My sisters given me nick name, "ghum parani masi pisi" or "aunt of sleeping”, because, I am very good in keeping small kids. I like kids very much. When I take them in my lap, they calm down and fall in sleep. Many say, I have extra foam in my body so kids like that.  Well, no matter what's the cause, kid’s like me and I love that feeling.

But I am totally failed with my own son. Whenever he feels sleepy, he says, mom, I am hungry ( he knows mom can't ignore this request), he jumps up, keep his eyes open as big as possible, start playing, jumping but sleeping.

Well I have no problem if he doesn't sleep. I believe he will sleep in his own time (when he can't wake up anymore). But problem is he doesn’t let me sleep too. So, I had adjusted my sleeping with him. Whenever he falls in sleep, I try to sleep with him too.

But it’s not easy for me. I had to open door several times. I have work with others, shopping, bank everything has their working time. They won't keep open at night. Well I have to make another plan to manage all these too, soon.

Tuesday, January 21, 2014

শাফিনের মক্তব (Shafeen’s Arabic learning school)


আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম, শাফিনকে (আমার ছেলে) ৫ বছর বয়সে আরবী শিক্ষা দেয়া শুরু করবো। গতকাল ও প্রথম মক্তবে ক্লাস করলো। প্রথমে ও বুঝতেই পারছিলো না কোথায় বসবে। বসার জায়গা যে মেঝেতে পাটি আর কার্পেট বিছিয়ে করা হয়েছে, এটা বুঝতে পারেনি। আমি ভেবেছিলাম ও একেবারেই পছন্দ করবে না। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে ও বলল, স্কুলের চেয়ে ওর মক্তবই বেশি পছন্দ হয়েছে। পড়াও ভাল লাগছে। বাসায় নিজেই বই নিয়ে বার বার প্র্যাকটিস করছে। নতুন সহপাঠিদের সাথেও দারুন মিশে গিয়েছে। আল্লাহ এই ধারা বজায় রাখুন... 

I had decided that I will start teaching Arabic to Shafeen when he will be 5 years old. Yesterday was his first class of Arabic and Islamic rule. I thought he won’t like this class, he use to do class in English medium school. He really surprised me. He said this school is better than his English school. He liked the teacher (hujur), his class mates and his lessons. He is practicing he lesson by himself at home, so that he can say it well in next class. May Allah keep this spirit…

Friday, July 5, 2013

পরবর্তিতে তারা কত ভাল করেছেন, এর কারন ছোট বেলায় তাদের মানসিক চাপে পড়তে হয়নি।

শাফিন পেন্সিল সার্প করছে, হোমওয়ার্ক করার জন্য (যদিও এর দরকার ছিল না)

ছেলের পড়াশুনার অবস্থা দেখে খুব মন খারাপ করছিলাম। আমার বড় বোন (শারমিন) আমাকে এইজন্য নানা ভাবে শান্ত্বনা দিল। ওর কথাগুলো সত্যি মনে একটা আশা তৈরি করেছে, হয়তো বড় হয়ে শাফিন (আমার সাড়ে চার বছরের ছেলে) ভাল করবে। তাই কথাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

ও বলল, শিক্ষা বোর্ডে যারা সিলেবাস তৈরি করেন, তারা বিদেশ থেকে পি এইচ ডি নিয়ে এসেছেন, এই সব বিষয়ে। ওরা কি চাইলে কঠিন করে অনেক পড়া দিয়ে বোর্ডের বই তৈরি করতে পারতেন না? কিন্তু ওরা জানেন ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের কখনোও পড়ার চাপ বা মানসিক চাপ দিতে হয়না। কারন এতে ওর ব্রেইনের পারমানেন্ট ড্যামেজ হয়। বড় হয়ে এই ব্রেন আর সেভাবে কাজ করবে না যেভাবে করা উচিত ছিল। ঢাকা ইউনিভারসিটিতে অনেক ছেলে একদম গ্রাম থেকে আসে, সেখানকার পড়ার মান নিয়ে কারো সন্দেহ নেই। কিন্তু পরবর্তিতে দেখা যায় এরাই ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হচ্ছে। লেখক হুমায়ুন আহমেদ আর তার ভাইবোনরা ছোট বেলায় কি রকম পরিবেশে পড়াশুনা করেছেন, অথচ পরবর্তিতে তারা কত ভাল করেছেন, এর কারন ছোট বেলায় তাদের মানসিক চাপে পড়াশুনা করতে হয়নি।

এসব শুনে মনটা ভাল হয়ে গেল। ছেলেকে এক ঘন্টা ধরে চেষ্টা করেও হোম ওয়ার্কের একটা অক্ষর লেখাতে পারলাম না, তারপরও মনে আশা হয়তো বড় হয়ে ভাল করবে। মায়ের মন, শুধু ভালোই ভাবতে জানে। 

এবার নিজের কথা ভাবলাম, আমি স্কুলে কখনও পুরোপুরি সব পড়া করে যাইনি। বেশির ভাগ সময় কিছুই পড়তাম না। যেদিন খুব ভাল পড়াশুনা করতাম, সেদিন একটা ক্লাসের পড়া মুখস্ত করে যেতাম, বাকি ৫ ক্লাসের পড়ার সময় পেতাম না। ভার্সিটিতে আমাদের ৫টা প্রশ্নের উত্তর লিখতে হতো। ফাইনাল পরিক্ষার সময়ও আমি অনেক কষ্টে ১টা প্রশ্নের উত্তর পড়ে যেতাম, এটা কমন পড়লেও বাকি ৪টা আমাকে নিজের মতো করে বানিয়ে লিখতে হতো। আমার শুধু একটা গুন ছিল। আমি সব ক্লাস করতাম। এই জন্য হয়তো পরিক্ষার সময় চাপা মারতে সুবিধা হতো। আর মোটামুটি নাম্বার  পেয়ে যেতাম :)