Monday, April 29, 2013

বর্তমান কাজটাই আসলে সবচেয়ে মুখ্য বিষয়।


মাঝে মাঝে দায়িত্ব, কর্তব্য, পরিকল্পনা এতো বেশি সামনে এসে যায় যে ঠিক করা মুশকিল হয়ে পড়ে, কিভাবে, কোন কাজটা করবো, সবই যে জরুরী। আমি যা করি তা হলো মনটাকে যতদুর পারি রিল্যাক্স করার চেষ্টা করি। এরপর একটা একটা করে যে কাজটা যখন সবচেয়ে জরুরি মনে হয়, সেটা করতে থাকি, পরবর্তিকে বাকিগুলো কিভাবে করবো সেটা না ভেবে। বর্তমান কাজটাই আসলে সবচেয়ে মুখ্য বিষয়। এটা যদি ঠিক ভাবে করি, তাহলে ভবিষ্যত কাজও সহজ হয়ে আসে। দেখা যায় রিল্যাক্স ভাবে ধীরে ধীরে করলে কাজ আরো বেশি করা ও শেষ হয়। 

Sunday, April 28, 2013

Waiting to see the new face.


Dia, 1 day old.


This is Dia (the name was Sadia, but my son renamed it Dia) my youngest sister Shekha’s daughter. She was 1 day old at Anity mony’s (my younger sister Sonia) Lap. Now, it’s time to wait for her sibling. Waiting to see a lovely new face tomorrow.

Saturday, April 27, 2013

We can save all the donation for future reestablishment of these people.

Source: http://ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDRfMjdfMTNfMF8wXzNfMzY2Mzg=


Many people are organizing donation for Savar (Garment’s factory building collapsed) tragedy. People who are related directly with the aid are saying they are not looking for money and blood donation for the time being. My suggestion is we could create a fund (any bank account may be) and save the entire donation. Because we all know these injured people and those whose family members are dead will need money for long term recovery and also to have reestablished their economic condition. Any organization (reliable) can take this long term responsibility.

Friday, April 26, 2013

I salute to you people

source: http://www.thedailystar.net/beta2/news/inside-the-hell/


One day some crack found in a building and the next day the 9 stored building collapse. Thousands of people (garments worker) trapped inside the building and hundreds of them became death.

In this crucial situation some Bangladeshi proves without have proper instrument, guidance or life shelter things could be changed. As the big slides and pillars cannot be moved, they are cutting small holes inside the collapsed building and taking people out. Many general people are sending money to buy building cutter, oxygen, medicine, mask, light etc to help them.

All the clinics and hospital of that area (Savar) are taking wounded people and giving treatment. The volunteers are giving blood, helping to bring out people, collecting money, surrounding the news (what they need now and how can be given) to the country people. I salute to you all. You people show the world, we are human and we help each other. Wish you success always. And May nothing harms happen to you guys and also to the trapped people.

Thursday, April 25, 2013

মানবিকতার কারনে, অর্থনৈতিক কারনে আমাদের উচিত এ ধরনের সকল দুর্ঘটনা থেকে বাচার চেষ্টা করা।



স্তব্ধ আমি। মানবিকতার কারনে, অর্থনৈতিক কারনে আমাদের উচিত এ ধরনের সকল দুর্ঘটনা থেকে বাচার চেষ্টা করা।

এই গার্মেন্টস সেক্টর থেকেই আমাদের দেশের প্রধান আয় হয়। সামান্য (?) ভুল হলে যেখানে এতোগুলো মানুষ বিপদে পরে, একে আমরা এতো হেলা করতে পারিনা। এবং এই সেক্টরে যে কোন ক্ষতি হলে সেটা হবে পুরো দেশের আয়ের ক্ষতি।

আমার মনে হয়, আমাদের সরকারী ভাবে মনিটরিং সেল গঠন করা উচিত। যেখানে মালিক, শ্রমিক, এনভাইরনমেন্ট স্পেশালিস্ট, ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, বাইয়ার, লইয়ার, পুলিশ এদের সবাইকে নিয়ে গঠিত হবে। যারা নির্ধারন করবেন, এবং নিয়মিত পরীক্ষা করবেন যে তাদের নির্ধারিত সব নিয়ম কানুন মেনে চলা হচ্ছে কি না। যে কেউ এই সেলে তাদের অভিযোগ করতে পারবেন এবং সবার অভিযোগই ক্ষতিয়ে দেখা হবে। হতে পারে সেই অভিযোগ ইভ টিজিং নিয়ে, বেতন নিয়ে বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে। প্রয়োজনে এই কমিটি সরকারকে নতুন আইন প্রনোয়োনের সুপারিশ করতে পারবে।

এরপরে যে কোন সমস্যা হলে এই কমিটি সরাসরি দায়ভার বহন করবে। এবং যারা যতখানি দোষী, তদন্ত করে তাদের সেই অনুসারে শাস্তির সুপারিশ করবে পুলিশকে এবং পুলিশ সেটা গ্রহন করবে।

আমি জানি আমাদের দেশের কোন কমিটিকেই দূর্নীতি মুক্ত রাখা সহজ নয়, তারপরও চেষ্টা তো করে দেখতে পারি?

সেই সাথে আমাদের দেশের ফায়ার সার্ভিসকে আরো উন্নত মেশিনারী এবং যথেস্ট পরিমান সামগ্রী দিয়ে ঢেলে সাজানো দরকার, যেন তারা যে কোন বিপর্যয়ে সঠিকভাবে সাহায্য করতে পারে।

Tuesday, April 23, 2013

Nature to follow other people



Nature to follow other people sometimes good, but mostly not, I think. I never follow others, but my son does. I know this is a kid’s natural behavior, but here it’s going little more than that.

Before going to school my son uses follow his cousins. First, he didn't feel any trouble to share his toys with others. But he found, his cousins don’t want to share anything, he started doing that. In school, he first went and sits his chair quietly and started learning many things of knowledge. But now he started grabbing other children’s attitude. Now every now and then he starts crying (he wasn't a crying baby), he started saying he won’t go to school any more (in the morning he willingly goes to school and don’t want to come back), he started fighting with other boys as this is one kind of game (he use to sit quietly in his sit), he is not concentrating his teacher but his friends attitude (he use to learn everything from his teacher), kissing on wall’s fish picture (one of his classmate does, I saw yesterday). One day I saw a boy from nursery start kicking the notice board, it was noising terribly. My son saw that too. He run there and starts kicking the notice board. In the mean time a guard came and makes him stop.

Other guardians, teachers and students are becoming annoyed with my son. I really don’t know how to make him stop from this following other’s attitude. Many times I tried to make him realize, no matter what others do, if it is bad, then don’t follow. He says yes, then again in school…. I really don’t know what more I can do. I know he is following because he likes it. If this going on, what he is going to grab every bad attitude he sees. I don’t want that.

Monday, April 22, 2013

Study after admitting in a school.

Here Shafeen was 1 year and 8 months old and very happy to do his study.


It is very common scenario that before going to school, children cries to go to school. They like to study and do many more things. But you know, we parents shouldn’t be happy to see these, because, this attitude is temporary. The character of study will come out when he will admit in a school.

Shafeen liked to study before going to school. He is now in “Play group”. Still he likes his school very much. And every day I had to fight with him to bring him home from school. The way he cries, people will say a kidnaper is taking a boy from school. At home he tells me that he wants to do the homework and study. But when I sit with him to complete those, he doesn’t felt any energy to do so. Every day I spend one hour to make him believe that there is a thing, called study. And he spends that time to test my patient. How long I can tolerate him with jumping and not writing and drawing where he should write. Oh Allah help me.

Sunday, April 21, 2013

মুরগী পোষা সহজ কথা নয়।

Shafeen was playing with a chicken (toy); he was 1 year and 5 months old.


সব বাচ্চাদেরই পশুপাখি পুশতে ইচ্ছা করে। একসময় আমারও করতো আর পুষতামও। সেকথা থাক। যা বলছিলাম, আমার ছেলেরও সখ হয়েছে। বলল, আম্মু আমি ঘরে একটা মুরগী রাখবো।
আমি যথারীতি বললাম, আচ্ছা।
ও বলল, মুরগীটা আমার হাতের উপর বসে হাত থেকে কুটকুট করে খাবার খাবে।
আমি বললাম, আচ্ছা।
শাফিন বলল, পাক্কা (পায়খানা) কোথায় করবে?
আমি বললাম, ও তো আর বাথরুমে গিয়ে করতে জানে না, ও ঘরেই করবে।
শাফিন এবার আমার মুখের দিকে তাকালো আর বড় বড় চোখ করে বলল, হাতের উপরেও।
আমি বললাম, হমম।
শাফিন এই বিষয়ে আর কথা বলার প্রয়োজন বোধ করলোনা।
আমি স্বস্তির নি:শ্বাস ফেললাম।

Saturday, April 20, 2013

ও পাখি তোর যন্ত্রনা, আর তো প্রানে সয় না



I am sure Bangladeshi birds start reading blogs. Because, I didn’t say to anybody, only I had written in blog that I scared of birds. Now, they started scaring me.

I had added net in Bathroom’s window to stop birds making nest on the window. But yesterday, when I opened the bathroom’s door, a male sparrow was flying inside the bathroom; don’t know how it managed to get inside. Obviously I shouted in fear then close the door. My son run to me and asked what happen? I told him. He said, let me see, so I hide inside the room and my boy (4 years old boy) opened the bathroom’s door. In the mean time the bird thought he had scared me enough and left (don’t know how).

Again I went to bathroom; I checked few more times and realize that the bird has gone. And it dropped some dirt on the bathroom floor.

Friday, April 19, 2013

Kids like to work before they grow up

Shafeen was 1 year and 8 months old, and liked to take meal by himself.


If you have a kid, you must have experienced that your kid wants to grow up fast. They like to do everything, when they can’t. After learning properly, you won’t be able to make them do that same thing. Let me explain with example.

My son wanted to walk everywhere when he was 2.5 years old. On those days he couldn't walk everywhere, every now and then fall and get injured (sometimes). But we couldn't stop him. But when he became 3.5 years old, he doesn't want to walk anymore for long time (specially in shopping mall). Even now (he is 4 years old now) he wants to stay on parents lap.

Now a day, my son’s one of favorite work is to work in garden. He can’t give water properly to plants. His grandmother (my mom) tries to stop him, but failed. I understand very well, after grown up my mom won’t have him to help her (my mom) in the garden.

When my son was 1 year old, he wanted to eat by himself. Do you know what he does now? No, he doesn't like to eat, unless I fed him.

Thursday, April 18, 2013

যার তার উপর রাগ করিনা।

Shafeen, here he is 4 days old.


আমি সহজে কারো উপর রাগ করিনা। আমাকে সাধারনত: কেউ রাগারাগি করতে দেখেনি। যারতার উপর আমি রাগ করতেই বা যাব কেন। ভাল না লাগলে এ্যাভয়েড করি। কেউ এ্যাভয়েড করলে (বুঝতে পারলে) দুরে সরে যাই। তর্কের সময়ে কেউ রাগের মাত্রা অতিক্রম করলে (গলার স্বর উচুতে উঠলে),  আমি চুপ হয়ে যাই। আমার রাগারাগি ভাল লাগে না।

কিন্তু আমার সবচেয়ে কাছের মানুষটি আমাকে রাগের সর্বচ্চো রূপ দেখছে। যার উপর আমি প্রায়ই রেগে যাচ্ছি। আমি চিৎকার করছি, হাতও তুলে ফেলছি (পরে খুবই খারাপ লাগে, মনে মনে নিজেই নিজেকে বলি, আর এরকম করবো না), রাগে মাথা ধরে যায়। রিল্যাক্সন খেয়ে ঘুমাতে হয়। ভাবছেন কে সে? কে আবার, আমার ছেলে!

Wednesday, April 17, 2013

Which is more powerful?

Me and Shafeen in front of Victoria memorial, talking. 


What is more powerful to change anything, Fear? Because of fear people may do many things. But still there are some changes which you can’t change or keep by fear, then? I think love. You are laughing, right? Yes, I think love has the strongest power. Because of love people willingly do many things which may even harmful for them. But they don’t care or nothing can stop them. They will do everything for love with pleasure.

Let’s give you a simple example. When you try to make understand your kid, which power works better? When you make them do anything by giving fear of anything, they may do it, but they won’t do it happily and after some time they won’t feel fear about it. Also they will get many bad impressions. But when you make them understand with love, they will listen always, and will have respect and love for you and other. Good for everyone. It may not be easy, to make understand by love, but it worth it.

Tuesday, April 16, 2013

My likeness on glasses

My son also likes to wear glasses. Still don’t know how to wear or manage it, but he tries. Here he was 1 year and 7 months old.



I like glasses (spectacles). Whenever I see any person with glass, without any reason a good feeling generate about them. When I was a student I wish to wear glasses. Sometimes I thought I will buy a zero power spectacles and will start using. Somehow couldn't manage it.

In my career life I start facing problems in my eyes, then went to a doctor. He suggests me to wear glasses. Allah knows, how much happy I was. I started using glasses. I bought the lighted frame that was available in the shop. Actually my father bought it for me. But then the problem started. No, not in my eyes, problem started with my nose. I start feeling pain on nose. I discuss it with my sisters (who also wear glasses). They said its nothing, within 3 or 4 months you will forget about it. Fine, I tried for 9 months. And the pain increases day by day. Even now, if I think about glasses I start feeling pain on my nose. So, said good bye to glasses.

But I still like people who wear glasses. They look intellectual, aren't they? My son also likes to wear glasses. Still don’t know how to wear or manage it, but he tries. 

Monday, April 15, 2013

সেন্ট মার্টিনস ভ্রমনের জন্য মজার গাইড।



পর্যটন নগরী বলতে যা বোঝায়, সেটা বাংলাদেশের একটি মাত্র এলাকাতে আছে। আর সেটা হলো কক্সবাজার। কয়েকদিন আগেই গিয়েছিলাম। যতবারই গিয়েছি, প্রত্যেকবারই জায়গাটায় কোন না কোন কিছু নতুন পেয়েছি। খুব দ্রুত বদলাচ্ছে এই কক্সবাজার শহর।

এখন গেলে দেখবেন রাস্তার পাশ ধরে সারি সারি হোটেল, রেস্টুরেন্ট আর টুরিস্ট কোম্পানী, আর প্রায় সবাই সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ, বান্দরবান, রাংগামাটি ঘুরিয়ে দেখানোর প্যাকেজ নিয়ে বসে আছে।

আমরা ভাবলাম (মানে আমাদের গ্রুপ) একদিনে সেন্টমার্টিনস ঘুরে আসি। এক ইজি বাইক ওয়ালা বুদ্ধি দিল। বলল, প্যাকেজ কোম্পানিই আপনাকে হোটেল থেকে তুলে নিবে, জাহাজে উঠিয়ে দিবে, দ্বীপ ঘোরাবে আর আবার আপনাকে হোটেলে নামিয়ে দিবে। আমাদের গ্রুপ লিডার এমন আরামের বর্ননা শুনে আর দেরি করলো না। হোটেলের সামনের যে টুরিস্ট কোম্পানীটা ছিল তাদের সাথেই যোগাযোগ করে সব কিছু ফাইনাল করে ফেললেন।

তখন কেয়ারী সিন্দবাদ মাত্র চালু হয়েছে, মানে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে। আর কোন জাহাজ নেই তখনও। সবাই সকাল ৭টার মধ্যে ছোট একটা ব্যাগে এক প্রস্থ শুকনো কাপড় নিয়ে রেডি হয়ে হোটেলের সামনে দাড়িয়ে রইল। আমি শুধু শাফিনের (আমার সাড়ে ৩ বছরের ছেলে) কাপড় নিলাম। আমার স্বামী কয়েকবার গাইগুই করলো, ওর জন্যও কাপড় নেয়ার জন্য। আমি ওকে মনে করিয়ে দিলাম, ও সব সময় বলে আমি বেশি কাপড় নিয়ে লাগেজ ভারি করে ফেলি। অতএব ওর আর কিছু বলার রইল না। আসলে সাগরের পানিতে ভিজে, কাপড় গায়েই শুকিয়ে ফেলা উচিত। কারন মিস্টি পানিতে গোসল না করা পর্যন্ত গায়ের বালি যাবে না। শুধু শুধু কাপড় পাল্টানোর মানে হয় না। আর সবার সামনে কাপড় বদলানো আমার পছন্দ না। সবচেয়ে বড় কথা সাগরের পানিতে ভিজে কারো অসুখ হয় না। এতো লেকচার শহরের মানুষকে দিয়ে লাভ নেই। তাই ওদের আর কিছু বললাম না।

৫ মিনিট লেট করে বাস এলো। এই প্রথম আমাদের ট্যুর গাইডকে দেখলাম। চিরকাল দেখে এসেছি, ট্যুর গাইডরা বকবক করে মাথা ধরিয়ে দেয়। সব জায়গায় সাথে থাকে আর তাড়া দেয় তাড়াতাড়ি চলুন। কিন্তু এবারকার মতো এতো ফ্লেক্সিবল ট্যুর গাইড আগে দেখিনি।

লোকাল বাস হলেও সিট কমফরটেবল ছিল। গাড়ি ছাড়ার পর ট্যুর গাইড বলল, নাস্তা এখন খাবেন না পরে বাস থেকে নেমে? আমি ভাবলাম, পরে আবার নাস্তার জন্য সময় নস্ট করবোনা, বললাম এখনই দিয়ে দিন। মেনু ডিম, ভাজি, পরোটা আর পানি (চা দেয়নি :( )। গাড়ি সুপার বেগে চলা শুরু করলো। মনে হলো রোলার কোস্টারে বসেছি। একবার ডানে, একবার বামে কাত হয়, আবার হার্ড ব্রেক কষে। আর মনে হলো, আমার পেটে কিছুক্ষন আগে যা ঢুকিয়েছি, তা বের হয়ে যাবে। গাড়ির পিছন থেকে লোকেরা কিছুক্ষন বাস ড্রাইভারকে তারপর তার হেলপারকে বকা দিতে লাগল। হেলপার ব্যাটা নাকি ঠিক মতোন ইন্স্ট্রাকশন দিচ্ছেনা তাই এই অবস্থা। জোরে ঝাকি খেলে সবাই এক সংগে "আসতে" বলে উঠছিল। এই অবস্থায়ও আমার হাসি চেপে রাখা মুশকিল হয়ে গিয়েছিল।

ঘাটে পৌছে দেখলাম জাহাজ ছাড়ার এখনও অনেক দেরি। ব্যাটা শুধু শুধু এমন জোরে চালিয়েছে।

জাহাজে উঠে আমার ছেলে দুটো খুব ভালভাবে জিনিস শিখলো, এক জাহাজ সবাইকে নিয়ে পানির উপর দিয়ে চলে, পানির ভিতরে চলে যায় না। দুই, জাহাজেও বাথরুম আছে।

এখানে একবারও আমাদের ট্যুর গাইড দর্শন দেয়নি। তার দেখা পেলাম সেন্ট মার্টিনস এ নেমে। বলল, আপনারা সোজা চলে যান, রেস্টুরেন্ট পাবেন, খেয়ে নিন, এরপর সোজা সাগরে চলে যান, ওখান থেকে হেটে হুমায়ুন আহমেদের বাড়ির কাছে চলে যাবেন, তারপর ভ্যান নিয়ে জাহাজে চলে আসবেন। বলে সে চলে গেল।

আমি আমার স্বামীর মুখের দিকে তাকালাম, এতো মহাফাকিবাজ ট্যুর গাইড। ব্যাটা আমাদের ছেড়ে দিয়ে নিজে রেস্ট নিচ্ছে। তবে সে একেবারে আমাদের পানিতে ভাসিয়ে দেয় নি। একটা ছোট পিচ্চিকে দিয়ে দিয়েছে রাস্তা দেখানোর জন্য।

পরে দেখলাম এই পিচ্চি যথেস্ট ভাল গাইড। সে আমাদের ব্যাগ ক্যারি করেছে, যখন আমরা পানিতে নেমেছি, ছবি তুলে দিয়েছে। ছবিও সে ইনস্ট্রাকশন দিয়ে তুলে। আমাকে বলল, সপরিবারে পাথরের উপর দাড়াতে, তারপর ছবি তুলে দিল। ডাব খাওয়ার সময় ছবি তুলছিল। আমি স্ট্র মুখ থেকে নামিয়ে নিতেই বলল, খেতে থাকুন, মুখে দেয়ার পর ছবি তুলব।

সেন্টমার্টিনসের একমাত্র যান ভ্যান গাড়িটে জাহাজে ফেরার সময় বলল, এ ছাড়া এখানে আর কিছু চলে না। মিনিস্টার আসলেও ভ্যানে চলতে হবে।

লেখন হুমায়ুন আহমেদ সম্পর্কে বলল অনেক দিন আসেন নি। তবে ওনার বাসা শাওন ভাড়া দেয়।

জাহাজে করে ফিরে বাসে ওঠার সময় আবার আমাদের পুরাতন গাইডের দেখা মিলল। ইজি বাইক ওয়ালা ঠিকই বলেছে। ওরা আমাদের আবার হোটেলের সামনে নিয়ে দিয়েছিল।

Thursday, April 4, 2013

Thought about Hortal (strike)


My son (4 years old) asked, do we have hortal today or I can go to school. I replied, today is hortal. He start saying, that means people will put fire beside the main road of school to stop people, going to school, at night all fire will automatically stop and in the mean time people will cook their meal with the fire.

I understood, he had got this idea about fire from TV news and he added the cooking idea to make a use of fire. Good thinking, we can apply this, we shouldn’t waste any power.

Wednesday, April 3, 2013

Managing school bag

Here Shafeen 4 years and 1 month old.
He was 1 year and 7 months old.
Shafeen (my 4 years old son) was trying to pull out the school bag from his teddy bear. He was 1 year and 7 months old. Now he has grown up enough to pull out his own school bag from his shoulder. 

Tuesday, April 2, 2013

আবার বাংলায় লিখছি।


অনেকদিন হলো বাংলায় ব্লগ লিখিনা। আমি এমন কোন গুরুত্বপুর্ন লিখা লিখিনা যে লিখতেই হবে। তারপরও বাংলায় না লিখে ঠিক ভালো লাগছিলোনা। তাই আবার শুরু করলাম বাংলায় লিখা। কেউ পড়ুক না পড়ুক, আমি লিখে শান্তি পাই তাই লিখে যাই :)

Monday, April 1, 2013

To get happiness in mind

Shafeen liked this uncle(paternal) so much that he didn't go to another chair.
We always want love from others. Other’s love makes us happy. That means our happiness depends on other’s attitude. If they don’t love us or hurt us, we will be unhappy. Can we come out from this situation? I don’t know.
But one thing we can do, we can love other people, the people around us or staying far away. If we love other, without any expectation (well, it’s difficult). This will give peace in mind, another kind of happiness. For this we don’t need to cry for other’s mercy.